ইরানে কীভাবে হামলা হবে, ট্রাম্পকে ছক জানালো মার্কিন বাহিনী

সংগৃহীত ছবি

 

অনলাইন ডেস্ক : সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইরান। এরই মধ্যে দেশটির প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে এই বিক্ষোভ। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, শুক্রবার পর্যন্ত দেশটিতে নিহতের সংখ্যা ৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে স্থানীয় একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রশাসনের দমন-পীড়নে শুধুমাত্র রাজধানী তেহরানেই মৃতের সংখ্যা দুই শতাধিক।

এদিকে, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে বলে আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সূত্রের দাবি, ইতোমধ্যে মার্কিন বাহিনী ইরানে হামলার প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। চলছে আলোচনা। হামলা করা হলে কোন কোন ঘাঁটিকে নিশানা করা হবে, তা-ও চিহ্নিত করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সরকারি সূত্র উল্লেখ করে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের পরিস্থিতি দিন দিন উত্তপ্ত হচ্ছে। গত দেড় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে সেখানে বিক্ষোভ চলছে। প্রাথমিকভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হলেও দ্রুত তা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন বহু মানুষ। ইরানের প্রশাসন কঠোরভাবে বিক্ষোভ দমনের বার্তা দিয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ মোভাহেদি আজাদ শনিবারই জানিয়ে দেন, বিক্ষোভকারীদের ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে দেখা হবে। এর জন্য ইরানে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রশাসনের গুলিতে ইরানে বহু প্রতিবাদীর মৃত্যুর খবরও মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘‘ইরান স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে আছে। হয়তো এর আগে কখনও এমনভাবে তাকায়নি। যুক্তরাষ্ট্র তাদের সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।”

রিপোর্টে দাবি করা হয়, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর যদি অতর্কিতে ইরানে হামলা চালানোর প্রয়োজন পড়ে, তবে কীভাবে কোন পথে অভিযান চলবে, তা নিয়ে প্রাথমিকভাবে হোয়াইট হাউসে আলোচনা হয়েছে। কোন কোন জায়গাকে নিশানা করা হবে, তা-ও চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আকাশপথে বড় হামলার পরিকল্পনা রয়েছে মার্কিন বাহিনীর। সেক্ষেত্রে ইরানের সেনাঘাঁটিগুলিকে নিশানা করা হবে।

তবে আর এক কর্মকর্তা জানান, হামলার ধরন সম্পর্কে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। অস্ত্রশস্ত্রও প্রস্তুত করা হয়নি। শুধু আলোচনা হয়েছে। একাংশের দাবি, এগুলো সাধারণ পরিকল্পনার অন্তর্গত। এই মুহূর্তে ইরানে হামলা হচ্ছে না। সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নালনিউ ইয়র্ক টাইমসগ্লোবাল টাইমস

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কথা

» ডিএসসিসি হাসপাতাল পরিদর্শনে প্রশাসক, সেবার মানোন্নয়নে নির্দেশনা

» যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ৫ দিন ধরে নিখোঁজ

» সিরিজ জয়ের মিশনে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

» চার দিনে ১০০ কোটি ছাড়াল অক্ষয়ের ‘ভূত বাংলা’

» উত্তেজনা বাড়িয়ে তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন

» এসএসসি পরীক্ষার্থীদের হাতঘড়ি ও ক্যালকুলেটর ব্যবহার নিয়ে নতুন নির্দেশনা

» বিশ্ব ধরিত্রী দিবস আজ

» আজ বুধবার রাজধানীর যেসব দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ

» গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

ইরানে কীভাবে হামলা হবে, ট্রাম্পকে ছক জানালো মার্কিন বাহিনী

সংগৃহীত ছবি

 

অনলাইন ডেস্ক : সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইরান। এরই মধ্যে দেশটির প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে এই বিক্ষোভ। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, শুক্রবার পর্যন্ত দেশটিতে নিহতের সংখ্যা ৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে স্থানীয় একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রশাসনের দমন-পীড়নে শুধুমাত্র রাজধানী তেহরানেই মৃতের সংখ্যা দুই শতাধিক।

এদিকে, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে বলে আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সূত্রের দাবি, ইতোমধ্যে মার্কিন বাহিনী ইরানে হামলার প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। চলছে আলোচনা। হামলা করা হলে কোন কোন ঘাঁটিকে নিশানা করা হবে, তা-ও চিহ্নিত করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সরকারি সূত্র উল্লেখ করে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের পরিস্থিতি দিন দিন উত্তপ্ত হচ্ছে। গত দেড় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে সেখানে বিক্ষোভ চলছে। প্রাথমিকভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হলেও দ্রুত তা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন বহু মানুষ। ইরানের প্রশাসন কঠোরভাবে বিক্ষোভ দমনের বার্তা দিয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ মোভাহেদি আজাদ শনিবারই জানিয়ে দেন, বিক্ষোভকারীদের ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে দেখা হবে। এর জন্য ইরানে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রশাসনের গুলিতে ইরানে বহু প্রতিবাদীর মৃত্যুর খবরও মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘‘ইরান স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে আছে। হয়তো এর আগে কখনও এমনভাবে তাকায়নি। যুক্তরাষ্ট্র তাদের সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।”

রিপোর্টে দাবি করা হয়, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর যদি অতর্কিতে ইরানে হামলা চালানোর প্রয়োজন পড়ে, তবে কীভাবে কোন পথে অভিযান চলবে, তা নিয়ে প্রাথমিকভাবে হোয়াইট হাউসে আলোচনা হয়েছে। কোন কোন জায়গাকে নিশানা করা হবে, তা-ও চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আকাশপথে বড় হামলার পরিকল্পনা রয়েছে মার্কিন বাহিনীর। সেক্ষেত্রে ইরানের সেনাঘাঁটিগুলিকে নিশানা করা হবে।

তবে আর এক কর্মকর্তা জানান, হামলার ধরন সম্পর্কে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। অস্ত্রশস্ত্রও প্রস্তুত করা হয়নি। শুধু আলোচনা হয়েছে। একাংশের দাবি, এগুলো সাধারণ পরিকল্পনার অন্তর্গত। এই মুহূর্তে ইরানে হামলা হচ্ছে না। সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নালনিউ ইয়র্ক টাইমসগ্লোবাল টাইমস

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com