সেঞ্চুরির পর ফাইনালেও ঝড়, বিশ্বরেকর্ড গড়লেন শেফালি ভার্মা

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : সেমি-ফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে বিধ্বংসী সেঞ্চুরির পর ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও ঝড় তুললেন শেফালি ভার্মা। এবার অবশ্য ফিফটিও করতে পারেননি। তবে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ড ঠিকই গড়লেন ভারতীয় ওপেনার।

জাপানের নিশিনে এশিয়ান গেমস নারী ক্রিকেটের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩ উইকেটে ২১৬ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে ভারত। এশিয়ান গেমস তো বটেই, মেয়েদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেই এত বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই কারও।

তাই ভারতকে টপকে স্বর্ণপদক জেতার জন্য নতুন ইতিহাস গড়তে হবে শ্রীলঙ্কার। আর এমন বড় লক্ষ্য দেওয়ার পেছনে বড় অবদান শেফালি, স্মৃতি মান্ধানা ও রিচা ঘোষের। তিনজনই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে লঙ্কান বোলারদের তুলোধুনো করেন।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ঝড় তোলেন শেফালি ও মান্ধানা। দুজন মিলে ১০ ওভারে গড়েন ৯৯ রানের জুটি। যার সৌজন্যে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম জুটি হিসেবে ৪ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন তারা দুজন।

ইনিংস শেষে মান্ধানা ও শেফালি জুটির সংগ্রহ মোট ৪ হাজার ৮০ রান। তাদের পেছনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইশা ওঝা ও তীর্থ সতীশ জুটি। এই জুটির সংগ্রহ মোট ২ হাজার ৯৪৯ রান। পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ২ হাজার ৭২০ রান আছে অস্ট্রেলিয়ার অ্যালিসা হিলি ও বেথ মুনি জুটির।

দশম ওভারে রিভার্স সুইপ করার চেষ্টায় ড্রেসিং রুমে ফেরেন শেফালি। ততক্ষণে তার নামের পাশে ৩টি করে চার-ছক্কায় ২৯ বলে ৪৮ রানের ইনিংস। এই ইনিংসের সৌজন্যে এক বছরে সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন শেফালি।

২০২৬ সালে শেফালির সংগ্রহ মোট ৮৬৩ রান। এ বছর সাত ফিফটির সঙ্গে একটি সেঞ্চুরিও করেন ২২ বছর বয়সী ওপেনার। তিনি পেছনে ফেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক লরা উলভার্টের রেকর্ড। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৮২৪ রান করেছেন তিনি।

এছাড়া ২০২৬ সালে ঠিক ৮০০ রান করেছেন হংকংয়ের নাতাশা মাইলস। আর চলতি বছরের আগে এই রেকর্ডটি ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইশা ওঝার। ২০২৫ সালে তিনি করেছিলেন ৭৭৯ রান। ২০২৬ সালে সমান ৭৭৯ রান হংকংয়ের ইয়াসমিন দাসওয়ানিরও।

শেফালি ফিরলেও দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন মান্ধানা। তিনি আউট হওয়ার আগে খেলেন ৫ চার ও ৭ ছক্কায় ৪৫ বলে ৭৯ রানের ঝকঝকে ইনিংস। যার সৌজন্যে ইতিহাসে প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ১১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন বাঁহাতি ওপেনার।

পরে ফিনিশিংয়ের দায়িত্বটা নেন রিচা। ভারতি ফুলমালির সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন জুটিতে মাত্র ১৯ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েন ভারতের উইকেটকিপার-ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ২২ বলে ৪৯ রান করেন তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» রাজধানীতে পৃথক অভিযানে ৪৭ জন গ্রেফতার

» প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা

» বিভিন্ন এলাকায় ৬০-৭০ শতাংশ পর্যন্ত এডিসের লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে : ডিএনসিসি প্রশাসক

» ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে উন্নত সামরিক প্রযুক্তির প্রমাণ উত্তর কোরিয়ার

» নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ১

» ডিজেল বিক্রিতে এখনও ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে: রিজভী

» সরাইলে ১১ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, জরিমানা

» রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে ২০২জন গ্রেপ্তার

» যাত্রীবাহী বাসের চাপায় অটোচার্জারভ্যান চালক নিহত

» সেঞ্চুরির পর ফাইনালেও ঝড়, বিশ্বরেকর্ড গড়লেন শেফালি ভার্মা

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

সেঞ্চুরির পর ফাইনালেও ঝড়, বিশ্বরেকর্ড গড়লেন শেফালি ভার্মা

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : সেমি-ফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে বিধ্বংসী সেঞ্চুরির পর ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও ঝড় তুললেন শেফালি ভার্মা। এবার অবশ্য ফিফটিও করতে পারেননি। তবে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ড ঠিকই গড়লেন ভারতীয় ওপেনার।

জাপানের নিশিনে এশিয়ান গেমস নারী ক্রিকেটের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩ উইকেটে ২১৬ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে ভারত। এশিয়ান গেমস তো বটেই, মেয়েদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেই এত বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই কারও।

তাই ভারতকে টপকে স্বর্ণপদক জেতার জন্য নতুন ইতিহাস গড়তে হবে শ্রীলঙ্কার। আর এমন বড় লক্ষ্য দেওয়ার পেছনে বড় অবদান শেফালি, স্মৃতি মান্ধানা ও রিচা ঘোষের। তিনজনই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে লঙ্কান বোলারদের তুলোধুনো করেন।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ঝড় তোলেন শেফালি ও মান্ধানা। দুজন মিলে ১০ ওভারে গড়েন ৯৯ রানের জুটি। যার সৌজন্যে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম জুটি হিসেবে ৪ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন তারা দুজন।

ইনিংস শেষে মান্ধানা ও শেফালি জুটির সংগ্রহ মোট ৪ হাজার ৮০ রান। তাদের পেছনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইশা ওঝা ও তীর্থ সতীশ জুটি। এই জুটির সংগ্রহ মোট ২ হাজার ৯৪৯ রান। পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ২ হাজার ৭২০ রান আছে অস্ট্রেলিয়ার অ্যালিসা হিলি ও বেথ মুনি জুটির।

দশম ওভারে রিভার্স সুইপ করার চেষ্টায় ড্রেসিং রুমে ফেরেন শেফালি। ততক্ষণে তার নামের পাশে ৩টি করে চার-ছক্কায় ২৯ বলে ৪৮ রানের ইনিংস। এই ইনিংসের সৌজন্যে এক বছরে সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন শেফালি।

২০২৬ সালে শেফালির সংগ্রহ মোট ৮৬৩ রান। এ বছর সাত ফিফটির সঙ্গে একটি সেঞ্চুরিও করেন ২২ বছর বয়সী ওপেনার। তিনি পেছনে ফেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক লরা উলভার্টের রেকর্ড। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৮২৪ রান করেছেন তিনি।

এছাড়া ২০২৬ সালে ঠিক ৮০০ রান করেছেন হংকংয়ের নাতাশা মাইলস। আর চলতি বছরের আগে এই রেকর্ডটি ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইশা ওঝার। ২০২৫ সালে তিনি করেছিলেন ৭৭৯ রান। ২০২৬ সালে সমান ৭৭৯ রান হংকংয়ের ইয়াসমিন দাসওয়ানিরও।

শেফালি ফিরলেও দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন মান্ধানা। তিনি আউট হওয়ার আগে খেলেন ৫ চার ও ৭ ছক্কায় ৪৫ বলে ৭৯ রানের ঝকঝকে ইনিংস। যার সৌজন্যে ইতিহাসে প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ১১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন বাঁহাতি ওপেনার।

পরে ফিনিশিংয়ের দায়িত্বটা নেন রিচা। ভারতি ফুলমালির সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন জুটিতে মাত্র ১৯ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েন ভারতের উইকেটকিপার-ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ২২ বলে ৪৯ রান করেন তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com