ছবি সংগৃহীত
উপকরণ : ৫০০ গ্রাম চিকেন, ১০০ গ্রাম কুচো চিংড়ি, ৪-৫টা মাঝারি সাইজের পেঁয়াজ, একটা গোটা রসুন, ১ চামচ রসুন বাটা, এক ইঞ্চি আদা, ৬-৭টা কাঁচালঙ্কা, ৬-৮টা শুকনো লঙ্কা, এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, স্বাদমতো নুন, ৫-৬ চামচ সর্ষের তেল, ১ চামচ ধনেপাতা কুচি।
প্রণালী : পেঁয়াজ কুচি, আদা-রসুন বাটা, কাঁচালঙ্কা কুচি, নুন-হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, সর্ষের তেল দিয়ে চিকেন ম্যারিনেট করে রাখুন। হাত দিয়ে ম্যারিনেট করবেন, যাতে মাংসের মধ্যে সমস্ত মশলা ঢোকে। মাংসটা ঢাকা দিয়ে ২ ঘণ্টা রেখে দিন।
কুচো চিংড়ি ভালো করে ধুয়ে বেটে নিন। চাইলে ছুরি দিয়ে কুচো কুচো করে কেটে নিন। চপিং করে নিলেই হবে। কারণ এই চিংড়িই গ্রেভি তৈরি করবে।
এ বার কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করুন। শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। এতে চিংড়ি বাটা এবং ম্যারিনেট করা মাংসটা দিয়ে দিন। আঁচ সব সময়ে কমিয়ে রাখবেন। ৪-৫ মিনিট নাড়াচাড়া করুন। ঢাকা দিয়ে মাংস রান্না করুন।
২০-২৫ মিনিট পরে ঢাকা সরিয়ে আধ কাপ গরম জল দিয়ে দিন। তারপরে আবার ১০ মিনিট ঢাকা দিয়ে রান্না করুন। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে। গ্যাস বন্ধ করে দিন। তৈরি গোয়ালন্দ স্টিমার কারি। গরম ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন গোয়ালন্দ স্টিমার কারি।
১. গোয়ালন্দ স্টিমার কারি কী?
কুচো চিংড়ি দিয়ে তৈরি ঝোলের সঙ্গে মুরগির মাংস রান্না করা পূর্ব বাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী পদ।
২. এই পদটির নাম গোয়ালন্দ স্টিমার কারি কেন?
গোয়ালন্দ ঘাটের স্টিমারের চালক ও পাচকরা এই মুরগির পদ রান্না করতেন। সেখান থেকেই নাম হয় গোয়ালন্দ স্টিমার কারি।
৩. গোয়ালন্দ স্টিমার কারির বিশেষত্ব কী?
এতে মশলা খুব কম লাগে এবং কুচো চিংড়ি দিয়েই মূলত গ্রেভির স্বাদ তৈরি হয়।
৪. গোয়ালন্দ স্টিমার কারিতে কী চিংড়ি ব্যবহার করবেন?
ছোট কুচো চিংড়ি ব্যবহার করা হয়। এগুলি বেটে বা খুব ছোট করে কেটে রান্নায় দিতে পারেন।
৫. গোয়ালন্দ স্টিমার কারি কীসের সঙ্গে খাবেন?
গরম ভাতের সঙ্গে এই ঝোল খেতে পারেন। সর্ষের তেল ও চিংড়ির স্বাদে ভাতের সঙ্গে পদটি বেশ ভালো মানায়।








