রানি লেখেন, ‘আজ থেকে ৩০ বছর আগে যখন কোনো এক ছবির সেটে প্রথম পা রেখেছিলাম, তখন বড় কোনো পরিকল্পনা ছিল না আমার। এমনকি অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন ছিল না। আজ মনে হয়, সিনেমা যেন আমাকে নিজেই খুঁজে নিয়েছে।’
কাকতালীয়ভাবে এই ইন্ডাস্ট্রিতে আসা উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, শুরুর দিনগুলোতে তিনি বেশ দ্বিধাগ্রস্ত ও ভীতু ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আজও আমার ভেতরে সেই নার্ভাস মেয়েটা বেঁচে আছে। প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে যে মেয়েটি ভাবত, সে সংলাপ ভুলে যাবে না তো? সে কি আদৌ এই কাজের যোগ্য?’
দীর্ঘ এই পথচলায় ‘মা’ হওয়ার অভিজ্ঞতা ও ক্যারিয়ারের সংযোগ নিয়েও কথা বলেছেন রানি। ক্যারিয়ারের শুরুতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি।
অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি সংকেতে বিশ্বাস করি। মা হওয়ার পরই যখন এই বিশেষ পুরস্কারটি পেলাম, তখন অনুভব করেছি একজন মা তার সন্তানের জন্য ঠিক কতদূর যেতে পারেন। জীবনের এই পর্যায়ে এসে আমি হয়তো আরও অনেক বেশি পরিণত।’








