ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মাদক মামলায় নিয়মিত হাজিরা না দেওয়ায় আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার পর ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের আইনজীবীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে আসামি মো. জাকির ফরাজির বিরুদ্ধে।
গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া স্লুইসগেইট বাজার সংলগ্ন আইনজীবীর বাসভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আসামি মো. জাকির ফরাজি (৪৫) উত্তর সুবিদখালী গ্রামের মোতালেব ফরাজির ছেলে।
স্বজনরা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে অ্যাডভোকেট মো. সামিউল আলিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
আদালত সূত্র ও মামলার এজাহারে জানা যায়, চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতারের পর নিয়মিত মামলা রুজু করে মির্জাগঞ্জ থানা পুুুলিশ। ওই মামলায় একমাত্র এজাহারভুক্ত আসামি মো. জাকির ফরাজি। জাকির পরে মির্জাগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার মামলা পরিচালনার জন্য মো. সামিউল আলিমকে আইনজীবী নিয়োগ করেন।
আইনজীবী মো. সামিউল আলিম বলেন, ‘গতকাল রবিবার মামলার দিন ধার্য ছিল। সেজন্য শনিবার জাকিরকে হাজির হওয়ার জন্য ফোন করলে তিনি বলেন হাজিরা দিতে পারবেন না। আমি সময়ের আবেদন করলে বিচারক না মঞ্জুর করে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আসামি আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে কুপিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। আমি বরিশাল মেডিকেলে ভর্তি আছি।’
অভিযুক্ত মো. জাকির ফরাজি বলেন, ‘পাইলস অপারেশনের জন্য বরিশালে যাব, যে কারণে আদালতে হাজির হতে পারিনি। মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ান জারি হওয়ার খবরে মাথাডা গরম হয়ে যায়। তাই গিয়ে উকিলের কাছে জিজ্ঞাসার করার একপর্যায়ে ধাক্কা দিলে পড়ে গিয়ে পা কেটে যায়। আর কিছুই হয়নি।’
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, ‘গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার খবর পেয়ে এক ক্ষুব্ধ আসামি তার নিজ মামলার আইনজীবীকে কুপিয়ে জখম করেছে বলে খবর পেয়েছি। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।’








