আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রমাণিত তেলের মজুদ রয়েছে লিবিয়ায়। দেশটির মজুদের পরিমাণ প্রায় ৪৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন ব্যারেল। ২০২৫ সালে লিবিয়া প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৩ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন ও রপ্তানি করেছে।
তেলের উৎপাদনে এরপর রয়েছে আলজেরিয়া। দেশটি প্রতিদিন প্রায় ১১ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করেছে। অন্যদিকে অ্যাঙ্গোলা ধারাবাহিকভাবে দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল উৎপাদন ও রপ্তানি করেছে।
তবে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল উৎপাদন ও রপ্তানি করলেও পরিশোধিত জ্বালানির ক্ষেত্রে আফ্রিকা দীর্ঘদিন ধরে আমদানিনির্ভর। বিশেষ করে পেট্রল ও ডিজেলের চাহিদা মেটাতে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়েছে মহাদেশটির বিভিন্ন দেশকে। এর অন্যতম কারণ স্থানীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত পরিশোধন সক্ষমতার অভাব। অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতিতে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
নাইজেরিয়ায় দৈনিক ৬ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল পরিশোধন সক্ষমতার দাঙ্গোতে শোধনাগার পুরোপুরি চালু হয়েছে। বড় আকারের এ ধরনের অবকাঠামো কার্যক্রমে আসায় আফ্রিকার পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।
এদিকে, ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক দেশের তালিকায় শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওপেকের ২০২৬ সালের বার্ষিক পরিসংখ্যান বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন ১ কোটি ৭ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সৌদি আরবের দৈনিক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭৯ লাখ ব্যারেল। দুই দেশ মিলে বিশ্বের মোট তেল রপ্তানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ সরবরাহ করেছে। তথ্যসূত্র : ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট ডট কম।








