সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, খাবারের বক্স খুলে কঢ়ী-চাওয়াল দেখে আনন্দে আত্মহারা প্রীতি। এই ছোট্ট অথচ আন্তরিক উদ্যোগের জন্য ওই পরিবারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।
প্রীতি জানান, পাঞ্জাবি আতিথেয়তার যে আলাদা একটি বিশ্বজোড়া সুনাম রয়েছে, এই ঘটনা যেন তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত। একইসঙ্গে প্যারিসে গেলে সবাইকে ওই নির্দিষ্ট দোকানের খাবার পরখ করে দেখারও পরামর্শ দেন তিনি। এই উষ্ণ ভালোবাসা ও পরোপকারী মনোভাব তিনি চিরকাল মনে রাখবেন বলে জানান।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ আট বছর পর সম্প্রতি ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমার মাধ্যমে রাজকীয়ভাবে বড়পর্দায় ফিরেছেন প্রীতি জিনতা। রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত ও সানি দেওলের বিপরীতে অভিনয় করা এই ছবিটি গত ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।
প্রথম দিনের কঠিন শুটিং আর দীর্ঘ বিরতির পর ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো নিয়ে প্রীতি কিছুটা উদ্বিগ্ন থাকলেও সহ-অভিনেতা সানি দেওলের আন্তরিক সহযোগিতায় সবটাই সহজ হয়ে যায়। এর আগে ২০১৮ সালের ‘ভইয়াজি সুপারহিট’ ছবিতে প্রীতিকে পূর্ণাঙ্গ চরিত্রে শেষবারের মতো দেখা গিয়েছিল।








