মৃগী রোগ নিয়ে কিছু কথা

ছবি সংগৃহীত

 

অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী :বিশ্বজুড়ে রয়েছে প্রায় ৫০ মিলিয়ন এপিলেপ্সি বা মৃগী রোগী। মৃগী রোগের একটি লক্ষণ  খিঁচুনি। খিঁচুনি হলো মগজে আকস্মিক

অনিয়ন্ত্রিত তড়িৎ স্পন্দন। চেতনা লোপ, হাত-পা খিঁচুনি এর পর শরীর দৃঢ় স্থির হয়ে যাওয়া। সেই সঙ্গে মুখ দিয়ে ফেনা বেরুনো, জিবে কামড় আর অনিচ্ছাকৃত প্রস্রাব হওয়া। এমনকি মল ত্যাগ হয়।

এই ঘটনাক্রমকে বলে কনভালসিভ ফিটস। কারও দুই বা ততোধিক অপ্ররোচিত এরকম সিজার বা খিঁচুনি হলে তখন একে মৃগী রোগ বলে। এদের প্রধান উপসর্গ খিঁচুনি হলেও হতে পারে হঠাৎ সব কিছু শূন্য মনে হওয়া। মেজাজে চড়াই-উতরাই, আকস্মিক হাতে পায়ে টান বা মোচড়ানো বা অবশ হয়। মৃগী রোগীদের কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এদের খিঁচুনি বারবার হলে এদের কিছু স্থানে যেতে বারণ করা উচিত। উন্মুক্ত আগুনের সামনে, চলমান মেশিনের সামনে বা উঁচুতে উঠতে নিষেধ করা হয়।

তারা সাঁতার কাটতে পারেন তবে কারও উপস্থিতিতে বা সাহায্যে থাকা ভালো। অথবা যিনি তার এমন অবস্থা সম্বন্ধে অবহিত তার সামনে। মগজে অন্তর্গত নানা সমস্যার কারণে এই মৃগী রোগ। এদের প্রকাশ আর চিকিৎসাও বিভিন্ন।

মৃগী নারী রোগীর গর্ভধারণ ডাক্তারের তত্ত্বাবধান আর নজরদারি আর পরামর্শে  হতে হয়। সে সময় ওষুধ দেওয়া এর মাত্রা শনাক্ত ডাক্তার নির্ণয় করবেন। মৃগী রোগীর খিঁচুনি যদি ১০-১৫ মিনিট স্থায়ী হয় তাহলে যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে। শিশুর মস্তিষ্কের এমআরআই, ইএমজি করতে হবে। সময়মতো ওষুধ খাওয়াতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। সূএ : বাংলাদেশ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» মিরপুরের রাড্ডায় যা হচ্ছে, পুরো দেশেই তা হচ্ছে: ব্যারিস্টার আরমান

» জনগণের আস্থা ছিল বিএনপির প্রতি, সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী : আমানউল্লাহ

» শেখ মুজিবের নামে হল হলে মেজর ডালিমের নামে হল করার দাবি মঞ্চ-২৪ এর

» বড়ভাই নাসির উদ্দিন পিন্টুর হাত ধরে রাজনীতিতে আসেন মিষ্টি

» আওয়ামী লীগ আগামী ৬৩ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না: ফজলুর রহমান

» বিএনপির পায়ের নিচে আর মাটি নাই: সাদিক কায়েম

» দেশ-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে জনগণ প্রস্তুত: গয়েশ্বর

» ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

» পুঁজিবাজারে লেনদেন সহজ করতে ব্র্যাক ব্যাংক ও মিডওয়ে সিকিউরিটিজের চুক্তি

» আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস: আগৈলঝাড়ায় র‍্যালি ও সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

মৃগী রোগ নিয়ে কিছু কথা

ছবি সংগৃহীত

 

অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী :বিশ্বজুড়ে রয়েছে প্রায় ৫০ মিলিয়ন এপিলেপ্সি বা মৃগী রোগী। মৃগী রোগের একটি লক্ষণ  খিঁচুনি। খিঁচুনি হলো মগজে আকস্মিক

অনিয়ন্ত্রিত তড়িৎ স্পন্দন। চেতনা লোপ, হাত-পা খিঁচুনি এর পর শরীর দৃঢ় স্থির হয়ে যাওয়া। সেই সঙ্গে মুখ দিয়ে ফেনা বেরুনো, জিবে কামড় আর অনিচ্ছাকৃত প্রস্রাব হওয়া। এমনকি মল ত্যাগ হয়।

এই ঘটনাক্রমকে বলে কনভালসিভ ফিটস। কারও দুই বা ততোধিক অপ্ররোচিত এরকম সিজার বা খিঁচুনি হলে তখন একে মৃগী রোগ বলে। এদের প্রধান উপসর্গ খিঁচুনি হলেও হতে পারে হঠাৎ সব কিছু শূন্য মনে হওয়া। মেজাজে চড়াই-উতরাই, আকস্মিক হাতে পায়ে টান বা মোচড়ানো বা অবশ হয়। মৃগী রোগীদের কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এদের খিঁচুনি বারবার হলে এদের কিছু স্থানে যেতে বারণ করা উচিত। উন্মুক্ত আগুনের সামনে, চলমান মেশিনের সামনে বা উঁচুতে উঠতে নিষেধ করা হয়।

তারা সাঁতার কাটতে পারেন তবে কারও উপস্থিতিতে বা সাহায্যে থাকা ভালো। অথবা যিনি তার এমন অবস্থা সম্বন্ধে অবহিত তার সামনে। মগজে অন্তর্গত নানা সমস্যার কারণে এই মৃগী রোগ। এদের প্রকাশ আর চিকিৎসাও বিভিন্ন।

মৃগী নারী রোগীর গর্ভধারণ ডাক্তারের তত্ত্বাবধান আর নজরদারি আর পরামর্শে  হতে হয়। সে সময় ওষুধ দেওয়া এর মাত্রা শনাক্ত ডাক্তার নির্ণয় করবেন। মৃগী রোগীর খিঁচুনি যদি ১০-১৫ মিনিট স্থায়ী হয় তাহলে যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে। শিশুর মস্তিষ্কের এমআরআই, ইএমজি করতে হবে। সময়মতো ওষুধ খাওয়াতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। সূএ : বাংলাদেশ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com