ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে রাজধানীর জিলিব আল-শুয়েখ এলাকায় পরিচালিত বৃহৎ আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত এ অভিযানের লক্ষ্য অপরাধ দমন, আবাসন ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং এলাকার সামগ্রিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, রেসিডেন্সি (আকামা) ও শ্রম আইন লঙ্ঘন এবং বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত ১ হাজার ২৫৩ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে অবৈধভাবে বসবাসের জন্য ব্যবহৃত ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং ১ হাজার ২০০টি অবৈধ আবাসন ইউনিটের বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, এর ফলে ফারওয়ানিয়া গভর্নরেট এলাকায় বিদ্যুতের লোড প্রায় ৬০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এ ছাড়া ১ হাজার ৪৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্ত করা হয়েছে এবং ২০টি অবৈধ পয়োনিষ্কাশন সংযোগ বন্ধ করা হয়েছে।
সরকারি সংস্থাগুলো ৬ হাজার ৫১১টি স্থানে পরিদর্শন চালিয়ে ১ হাজার ৪৭১টি অনিয়মকারী প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করে। এর মধ্যে ১৮৮টি প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে এবং ২৫৬টি বাণিজ্যিক আইন লঙ্ঘনের মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া ৩৬ জন শিশু ও তাদের মায়েদের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে ৭৮৪ জনকে চিকিৎসা ও বিভিন্ন ধরনের সেবা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৬১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জিলিব আল-শুয়েখে চলমান এই অভিযান সফলভাবে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য যেসব এলাকায় অনুরূপ আইন লঙ্ঘন ও অবৈধ কার্যক্রম রয়েছে, সেখানেও পর্যায়ক্রমে একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সূএ: বাংলাদেশ প্রতিদিন








