তার মতে, তেহরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্ত বাস্তবায়ন না হলে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব নয়।
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোহরেহ খারাজমি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্য আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সমঝোতা স্মারকের ধারাগুলো বাস্তবায়ন করা হলে তবেই পরবর্তী ধাপে এগোনোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, “বল এখন আমেরিকার কোর্টে।”
তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী-সংক্রান্ত ইস্যুতে বড় ধরনের অগ্রগতির আশা করা যাচ্ছে না, যদি না যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়।
খারাজমি আরও বলেন, ইরান দোহার এই বৈঠককে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক আলোচনা হিসেবে দেখছে না। এ কারণে তেহরান থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নয়, উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি প্রতিনিধিত্ব করছেন।
তিনি জানান, বর্তমান বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং কারিগরি ও বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিষয়। বিশেষ করে বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাব এবং পূর্ববর্তী সমঝোতার বিভিন্ন কারিগরি দিক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা সংলাপমুখী হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস এখনও কাটেনি। ফলে সমঝোতা বাস্তবায়নে উভয় পক্ষের আন্তরিকতা ভবিষ্যৎ আলোচনার সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সূত্র: আল-জাজিরা








