ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : পাঠ্যবইয়ে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৮ সালের বইয়ে তার জীবন, কর্ম, শাহাদাত ও পরবর্তী ঘটনাগুলো তুলে ধরে পাঠ্য রাখা হবে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১০ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সিদ্ধান্তে কিছুটা আপত্তি জানিয়েছেন ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি। ১১ জুন রাত ১টা ৩৩ মিনিটে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তিনি।
মাসুমা হাদি লিখেছেন, ‘আমার ভাইয়ের শাহাদাতের দিন থেকেই গণমাধ্যমের মারফতে দাবি করেছি, সরকার যেন অবশ্যই আমার ভাইয়ের বীরত্বগাথা জীবনী পাঠ্যপুস্তকের অন্তর্ভুক্ত করেন।’
তিনি লিখেছেন, ‘অবশেষে সরকার শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা প্রশংসার দাবিদার। তবে ২০২৮ সাল থেকে শুধু পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে কেন?’
ওসমান হাদির বোন প্রশ্ন তুলে লিখেছেন, ‘আমার প্রশ্ন, ২০২৭ সালে হবে না কেন? এবং শুধু পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে কেন?’ মাসুমা লিখেছেন, ‘আমার দাবি, অবশ্যই ২০২৭ সালে পঞ্চম শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকে শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা জীবনী অন্তর্ভুক্ত করা হোক।’








