রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় আনা যায় না, এটা ‘ভুল কনসেপ্ট’: আখতার হোসেন

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। রাষ্ট্রপতি পদ থেকে যখন কেউ সরে আসেন, তখন সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সংবিধানের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় না আনার বিষয়টি ‘ভুল কনসেপ্ট’ বলেও উল্লেখ করেন এনসিপির সদস্যসচিব।

রোববার (২৬ জুলাই) জাতীয় ছাত্রশক্তি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শাখার আয়োজনে ‘জুলাই স্মরণে আলোচনা সভা’ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের পর ছাত্রনেতারা একটি জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে সেই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হয়নি। যদি তা করা হতো, তাহলে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ভিন্নভাবে লেখা হতে পারত। এরপরও আমরা বসে থাকিনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় থেকেই সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে গেছি।’

তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাহাবুদ্দিন তার শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং গণহত্যার সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে সাহাবুদ্দিন পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। একবার তিনি বলেছেন পদত্যাগপত্র পেয়েছেন, আবার অন্য সময় বলেছেন পাননি। এর মাধ্যমে তিনি জনগণের সঙ্গে মিথ্যাচার করেছেন।

তিনি আরও বলেন, অনেকে সংবিধানের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা বলছেন যে রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা যায় না। এটা সম্পূর্ণ একটা ভুল কনসেপ্ট। কারণ রাষ্ট্রপতি পদে যখন তিনি থাকবেন, ঠিক সেই সময়টাতে রাষ্ট্রপতি আকারে তার ফাংশনালিটির জন্য তাকে কোর্টে নিয়ে আসা যায় না। সেই সময়টাতেও যদি সিভিল মামলা হয়, সেটা রাষ্ট্রপতির এগেইনস্টে করা যেতে পারে। এমনকি রাষ্ট্রপতি পদ থেকে যখন কেউ সরে আসেন, তখন কিন্তু তার বিরুদ্ধে সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ ও সারোয়ার তুষার, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান, দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমানসহ এনসিপি ও জাতীয় ছাত্রশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এসময় ইবি ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব ইশতেহার উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির ইবি শাখার আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» স্বাস্থ্য খাতে স্বস্তির বার্তা, দ্রুত কাটবে হাসপাতালের সংকট: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

» ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই শহিদ সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচার হওয়া উচিত: ডা. শফিকুর রহমান

» রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় আনা যায় না, এটা ‘ভুল কনসেপ্ট’: আখতার হোসেন

» বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

» কথা কম, কাজ বেশি নীতিতে চলবে ডিএনসিসি : প্রশাসক

» অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

» গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ

» মেধাবী ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

» আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৩ দিন বন্ধ

» সাংবাদিক হাফিজুর রহমান এর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার,  মুক্তি’র দাবিতে  নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় আনা যায় না, এটা ‘ভুল কনসেপ্ট’: আখতার হোসেন

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। রাষ্ট্রপতি পদ থেকে যখন কেউ সরে আসেন, তখন সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সংবিধানের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় না আনার বিষয়টি ‘ভুল কনসেপ্ট’ বলেও উল্লেখ করেন এনসিপির সদস্যসচিব।

রোববার (২৬ জুলাই) জাতীয় ছাত্রশক্তি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শাখার আয়োজনে ‘জুলাই স্মরণে আলোচনা সভা’ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের পর ছাত্রনেতারা একটি জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে সেই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হয়নি। যদি তা করা হতো, তাহলে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ভিন্নভাবে লেখা হতে পারত। এরপরও আমরা বসে থাকিনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় থেকেই সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে গেছি।’

তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাহাবুদ্দিন তার শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং গণহত্যার সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে সাহাবুদ্দিন পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। একবার তিনি বলেছেন পদত্যাগপত্র পেয়েছেন, আবার অন্য সময় বলেছেন পাননি। এর মাধ্যমে তিনি জনগণের সঙ্গে মিথ্যাচার করেছেন।

তিনি আরও বলেন, অনেকে সংবিধানের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা বলছেন যে রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা যায় না। এটা সম্পূর্ণ একটা ভুল কনসেপ্ট। কারণ রাষ্ট্রপতি পদে যখন তিনি থাকবেন, ঠিক সেই সময়টাতে রাষ্ট্রপতি আকারে তার ফাংশনালিটির জন্য তাকে কোর্টে নিয়ে আসা যায় না। সেই সময়টাতেও যদি সিভিল মামলা হয়, সেটা রাষ্ট্রপতির এগেইনস্টে করা যেতে পারে। এমনকি রাষ্ট্রপতি পদ থেকে যখন কেউ সরে আসেন, তখন কিন্তু তার বিরুদ্ধে সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ ও সারোয়ার তুষার, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান, দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমানসহ এনসিপি ও জাতীয় ছাত্রশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এসময় ইবি ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব ইশতেহার উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির ইবি শাখার আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com