আরও খারাপ কিছু হতে পারতো, কাজ করতে দিন: ট্রাম্প

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে মার্কিন অভিবাসন দফতরের গুলি চালানোর ঘটনাকে সমর্থন করলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারির সুরে বলে দিলেন, আরও খারাপ কিছু হতে পারতো ওই শহরে। অভিবাসন ও শুল্ক দফতরের (আইসিই) কর্তাদের ‘দেশপ্রেমী’ বলে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। জানিয়েছেন, মিনেসোটায় তারা নিজেদের কাজ করছেন। তাতে যেন কোনও রকম বাধা না-দেওয়া হয়।

শনিবার মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন দফতরের অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালীন এক যুবককে গুলি করে খুন করার অভিযোগ ওঠে আইসিই কর্তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, অ্যালেক্স প্রেটি নামের ওই যুবককে প্রথমে রাস্তায় ফেলে মারধর করে আইসিই। তার পর এক অফিসার গুলি চালান। দীর্ঘক্ষণ রাস্তার ওপর পড়ে ছিল যুবকের দেহ। এই ঘটনার পর মিনিয়াপোলিসে প্রতিবাদ জোরালো হয়েছে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, ১২ হাজার অভিবাসীকে ইতিমধ্যে সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধেও অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। দাবি, নিহত যুবকের কাছে পিস্তল ছিল। আত্মরক্ষার্থে গুলি চালিয়েছেন আইসিই কর্মকর্তারা।

সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প একটি পিস্তলের ছবি পোস্ট করেছেন। দাবি, সেটি মিনেসোটায় নিহত যুবকের পিস্তল। ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘এটা সেই বন্দুকবাজের পিস্তল, গুলি ভরা রয়েছে এতে। এসব কী? স্থানীয় পুলিশ কোথায়? আইসিই কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা পুলিশ নিশ্চিত করছে না কেন?’’

মিনিয়াপোলিসের প্রাদেশিক সরকার ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে সরব। স্থানীয় মেয়র এবং গভর্নরের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন প্রেসিডেন্ট। বলেছেন, ‘‘মেয়র আর গভর্নর কি পুলিশকে সরিয়ে দিয়েছেন? আমি শুনেছি, পুলিশকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আইসিই তাই নিজেদের নিজেরাই রক্ষা করছে। এটা কোনও সহজ কাজ নয়।’’

মিনিয়াপোলিসে অভিবাসীদের সংখ্যা অনেক বেশি। স্থানীয় প্রশাসন এবং ডেমোক্র্যাট নেত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ট্রাম্প। দাবি, মিনেসোটার নাগরিকদের বঞ্চিত করে লক্ষ লক্ষ কোটি ডলার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তা চাপা দেওয়ার জন্য প্রতিবাদীদের লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ট্রাম্প বলেন, ‘‘ডেমোক্র্যাটদের ওপেন বর্ডার নীতির জন্য বহু অপরাধী এই প্রদেশে ঢুকে পড়েছে। যারা আমেরিকাবাসীর টাকা চুরি করেছে, তাদের জেল খাটতে হবে। আইসিই-র দেশপ্রেমীদের নিজের কাজ করতে দিন। ১২ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিনেসোটা থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। যদি তারা এখানে থাকত, আজ যা হচ্ছে, তার চেয়েও খারাপ কিছু ঘটতো।’’

আইসিই অভিযানের বিরুদ্ধে নানা মহলে নিন্দা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি অভিবাসন দফতরের আধিকারিকেরা দু’বছরের এক শিশুকেও আটক করেছিল। এই নিয়ে মিনেসোটায় তাদের গুলিতে দ্বিতীয় মৃত্যু হল। সূত্র: আনন্দবাজার

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের খবরে সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন স্পিকার

» ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য বিশেষ দোয়ার আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম

» লাইফ সাপোর্টে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম

» রাষ্ট্রপতি বিষয়ে বিএনপিকে বারবার সতর্ক করা হলেও বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি: আসিফ মাহমুদ

» বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অভিযোগে ১৪১ জন গ্রেপ্তার

» দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

» ইয়াবাসহ যুবক আটক

» ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে কথা না বলায় ক্যাটরিনার ফ্যান পেজ বন্ধ

» টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের সূচি ঘোষণা, বাংলাদেশের সামনে ইতিহাস গড়ার সুযোগ

» শুক্রবার ভারতজুড়ে বড় বিক্ষোভের ডাক, উত্তেজনা চরমে

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

আরও খারাপ কিছু হতে পারতো, কাজ করতে দিন: ট্রাম্প

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে মার্কিন অভিবাসন দফতরের গুলি চালানোর ঘটনাকে সমর্থন করলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারির সুরে বলে দিলেন, আরও খারাপ কিছু হতে পারতো ওই শহরে। অভিবাসন ও শুল্ক দফতরের (আইসিই) কর্তাদের ‘দেশপ্রেমী’ বলে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। জানিয়েছেন, মিনেসোটায় তারা নিজেদের কাজ করছেন। তাতে যেন কোনও রকম বাধা না-দেওয়া হয়।

শনিবার মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন দফতরের অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালীন এক যুবককে গুলি করে খুন করার অভিযোগ ওঠে আইসিই কর্তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, অ্যালেক্স প্রেটি নামের ওই যুবককে প্রথমে রাস্তায় ফেলে মারধর করে আইসিই। তার পর এক অফিসার গুলি চালান। দীর্ঘক্ষণ রাস্তার ওপর পড়ে ছিল যুবকের দেহ। এই ঘটনার পর মিনিয়াপোলিসে প্রতিবাদ জোরালো হয়েছে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, ১২ হাজার অভিবাসীকে ইতিমধ্যে সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধেও অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। দাবি, নিহত যুবকের কাছে পিস্তল ছিল। আত্মরক্ষার্থে গুলি চালিয়েছেন আইসিই কর্মকর্তারা।

সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প একটি পিস্তলের ছবি পোস্ট করেছেন। দাবি, সেটি মিনেসোটায় নিহত যুবকের পিস্তল। ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘এটা সেই বন্দুকবাজের পিস্তল, গুলি ভরা রয়েছে এতে। এসব কী? স্থানীয় পুলিশ কোথায়? আইসিই কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা পুলিশ নিশ্চিত করছে না কেন?’’

মিনিয়াপোলিসের প্রাদেশিক সরকার ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে সরব। স্থানীয় মেয়র এবং গভর্নরের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন প্রেসিডেন্ট। বলেছেন, ‘‘মেয়র আর গভর্নর কি পুলিশকে সরিয়ে দিয়েছেন? আমি শুনেছি, পুলিশকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আইসিই তাই নিজেদের নিজেরাই রক্ষা করছে। এটা কোনও সহজ কাজ নয়।’’

মিনিয়াপোলিসে অভিবাসীদের সংখ্যা অনেক বেশি। স্থানীয় প্রশাসন এবং ডেমোক্র্যাট নেত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ট্রাম্প। দাবি, মিনেসোটার নাগরিকদের বঞ্চিত করে লক্ষ লক্ষ কোটি ডলার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তা চাপা দেওয়ার জন্য প্রতিবাদীদের লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ট্রাম্প বলেন, ‘‘ডেমোক্র্যাটদের ওপেন বর্ডার নীতির জন্য বহু অপরাধী এই প্রদেশে ঢুকে পড়েছে। যারা আমেরিকাবাসীর টাকা চুরি করেছে, তাদের জেল খাটতে হবে। আইসিই-র দেশপ্রেমীদের নিজের কাজ করতে দিন। ১২ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিনেসোটা থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। যদি তারা এখানে থাকত, আজ যা হচ্ছে, তার চেয়েও খারাপ কিছু ঘটতো।’’

আইসিই অভিযানের বিরুদ্ধে নানা মহলে নিন্দা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি অভিবাসন দফতরের আধিকারিকেরা দু’বছরের এক শিশুকেও আটক করেছিল। এই নিয়ে মিনেসোটায় তাদের গুলিতে দ্বিতীয় মৃত্যু হল। সূত্র: আনন্দবাজার

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com