ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো ও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। বুধবার সকালে ইরানি সেনাবাহিনীর জনসংযোগ দপ্তর থেকে জানানো হয়, ‘অপারেশন সায়েকেহ’-এর ২২তম ধাপের অংশ হিসেবে জর্ডানের আল-আজরাক ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর আবাসন, সামাজিক কল্যাণ ভবন এবং সরঞ্জাম ডিপো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
একই সঙ্গে বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমান ঘাঁটিতে আর্শ ড্রোন ব্যবহার করে ভারী বিমানের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কর্মশালা এবং বড় ধরনের সরঞ্জাম ডিপোতে আঘাত হানা হয়েছে। ইরানি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, দক্ষিণ ইরানের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করা এই অভিযানটি চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে, একটি পৃথক অভিযানে বাহরাইনে অবস্থিত আমাজন ডেটা সেন্টারের মূল অবকাঠামোতে আঘাত হেনেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ‘অপারেশন নাসর ২’-এর ২৪তম তরঙ্গের অধীনে পরিচালিত এই হামলায় ‘এমই-সাউথ-১’ নামের ক্লাউড সেন্টারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আইআরএনএ-র তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে চালু হওয়া এই সেন্টারটি যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের সংবেদনশীল তথ্য প্রক্রিয়াকরণের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ৯ বিলিয়ন ডলারের ‘জয়েন্ট ওয়ারফাইটিং ক্লাউড কেপাবিলিটি’ চুক্তির অধীনে এই ডেটা সেন্টারটি পেন্টাগনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামরিক তথ্য বিশ্লেষণের কাজ পরিচালনা করত বলে ইরানের দাবি।
এছাড়া, কুয়েতের পশ্চিমে অবস্থিত মার্কিন সেনাবাহিনীর অন্যতম বৃহত্তম লজিস্টিক হাব ‘দোহা ক্যাম্প’-এও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সেখানে মার্কিন স্থল বাহিনীর গোলাবারুদ ডিপো এবং লজিস্টিক সরঞ্জাম ধ্বংসের দাবি করা হয়েছে। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, অঞ্চলের সাধারণ মানুষের প্রতি তাদের কোনো বৈরিতা নেই; কেবল ইরানে মার্কিন আগ্রাসন ও অপরাধের জবাব হিসেবেই এসব মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
সূত্র: আল মায়াদিন








