সংগৃহীত ছবি
অনলাইন ডেস্ক : অ্যাশেজ সিরিজে ব্যাটে-বলে আলো ছড়িয়ে আইসিসি ‘প্লেয়ার অব দা মান্থ’ এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন মিচেল স্টার্ক। ডিসেম্বরের সেরার লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ান পেসারের সঙ্গী নিউজিল্যান্ডের পেসার জেকব ডাফি ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের অলরাউন্ডার জাস্টিন গ্রেভস।
ডিসেম্বর মাসের সেরার লড়াইয়ে মনোনীত পুরুষ ও নারী ক্রিকেটারদের নাম প্রকাশ করেছে আইসিসি। মেয়েদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক লরা উলভার্ট, দেশটির অলরাউন্ডার সুনে লিস ও ভারতের ব্যাটার শেফালি ভার্মা।
মিচেল স্টার্ক (অস্ট্রেলিয়া)
২০২৫ সালের শেষ মাসে ৩ টেস্টে ২১.২৫ গড়ে স্টার্ক উইকেট নেন ১৬টি। এছাড়া ব্যাট হাতে করেন ১৩৯ রান। ব্রিজবেনে অ্যাশেজের দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৬টিসহ ম্যাচে তার শিকার ছিল ৮ উইকেট। ব্যাটিংয়ে ৯ নম্বরে নেমে খেলেন ১৪১ বলে ৭৭ রানের ইনিংস। দলের ৮ উইকেটে জয়ের ম্যাচে সেরার স্বীকৃতি পান তিনিই। পরের টেস্টে অ্যাডিলেইডে ৪ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাটিংয়ে ৭৫ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন এই বাঁহাতি পেসার।
জেকব ডাফি (নিউজিল্যান্ড)
ডিসেম্বরে ডাফিও টেস্ট খেলেন ৩টি। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের ২-০ ব্যবধানে জেতা সিরিজে ১৫.৪৩ গড়ে মোট ২৩ উইকেট শিকার করেন তিনি, যা সিরিজের সর্বোচ্চ। সিরিজে ৬ ইনিংসের ৩টিতেই তিনি পান পাঁচ উইকেটের স্বাদ। এছাড়া ব্যাট হাতে করেন ৪২ রান। এমন পারফরম্যান্স তাকে এনে দেয় সিরিজ-সেরার স্বীকৃতি।
জাস্টিন গ্রেভস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের সিরিজে ৫৬.৬০ গড়ে গ্রেভস করেন ২৮৩ রান। এছাড়া হাত ঘুরিয়ে ৫টি উইকেট নেন এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার। ব্যাট হাতে সেরাটা মেলে ধরেন তিনি ক্রাইস্টচার্চে সিরিজের প্রথম টেস্টে। ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে উপহার দেন দুর্দান্ত এক ডাবল সেঞ্চুরি। তার ৩৮৮ বলে অপরাজিত ২০২ রানের ইনিংসে অভাবনীয়ভাবে ম্যাচ ড্র করে ক্যারিবিয়ানরা।
লরা উলভার্ট (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জেতা ওয়ানডে সিরিজে ৩ ম্যাচে ১১১.৮৪ স্ট্রাইক রেটে মোট ২৫৫ রান করেন উলভার্ট। শেষ দুই ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ১২৪ ও অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস। সিরিজ-সেরার পুরস্কার জেতেন তিনিই। ওয়ানডের আগে ২ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১৯০.২৭ স্টাইক রেটে দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক করেন ১৩৭ রান। সেখানে সেঞ্চুরি করেন তিনি প্রথম ম্যাচে।
সুনে লিস (দক্ষিণ আফ্রিকা)
আইরিশদের বিপক্ষে ৩ ওয়ানডেতে ব্যাট হাতে ২০৫ রান করার পাশাপাশি স্পিন বোলিংয়ে ৪ উইকেট নেন লিস। প্রথম ম্যাচে ফিফটির (৬৬*) পর দ্বিতীয়তে তিনি করেন সেঞ্চুরি (১১৪)। টি-টোয়েন্টি সিরিজে তার ব্যাট থেকে আসে ১১৮ রান। প্রথম ম্যাচে ৫১ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলার পর, হাত ঘুরিয়ে ২২ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন ৩০ বছর বয়সী অলরাউন্ডার।
শেফালি ভার্মা (ভারত)
ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১৮১.২০ স্ট্রাইক রেটে ২৪১ রান করেন ভারতীয় ওপেনার। মাঝের তিন ম্যাচে তার ব্যাট হাতে আসে ৬৯*, ৭৯ ও ৭৯* রানের ইনিংস। ভারত সিরিজ জেতে ৫-০ ব্যবধানে। সিরিজ-সেরার স্বীকৃতি পান শেফালি।








