ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : সংযুক্ত আরব আমিরাতের তপ্ত গরমে ত্রিদেশীয় সিরিজে মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। সাথে সঙ্গী জিম্বাবুয়ে এবং আফগানিস্তান। শনিবার (১৭ অক্টোবর) জিম্বাবুয়ে এবং বাংলাদেশের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে সিরিজ। আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৫টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
এখন পর্যন্ত ১৫টি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে বাংলাদেশ কেবল একটিতে ট্রফি হাতে তুলতে পেরেছে। ত্রিদেশীয় সিরিজে জয়ের হার কম কেন বাংলাদেশের? সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নের জবাবে টাইগার অধিনায়ক লিটন দাস বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় কোনো কারণ না, আমরা খুব কম ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলি। আমি অনেক দিন ধরে খেললেও ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার অভিজ্ঞতা খুব কম। আমরা বড় বড় টুর্নামেন্ট এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপ এসবে খেলি কিন্তু ত্রিদেশীয় সিরিজ সেভাবে খেলা হয় না। ত্রিদেশীয় সিরিজে বাড়তি একটা চাপ থাকে। তিন দলের উপরই থাকে, ফাইনালে উঠতে হবে। আমার মনে হয় সেখানে বাড়তি চাপ আসে। সিরিজে আসলে সেভাবে চাপ থাকে না। এক ম্যাচ হারলেও সুযোগ থাকে। তবে ত্রিদেশীয় সিরিজে হেরে গেলে চাপ থাকে, রান রেটের ব্যাপার থাকে। আমাদের ছেলেরা এখন ভালো ক্রিকেট খেলছে। গত কিছু সিরিজে ভালো খেলেছি। ম্যাচুরিটি লেভেলও ভালো আছে। আশা করছি আমরা এখানে ভালো ক্রিকেট খেলব।’
এই সিরিজ দিয়েই ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব নিচ্ছেন লিটন দাস। মেহেদী হাসান মিরাজকে সরিয়ে আগামী বছর অক্টোবরের বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগেও অধিনায়কত্ব করেছেন লিটন। নানা সময়ে অধিনায়কত্বে সাফল্যও এসেছে। অধিনায়কত্ব কখন থেকে উপভোগ করছেন? জবাবে লিটন বললেন, ‘আমি শুরু থেকেই অধিনায়কত্ব উপভোগ করতাম।’
এছাড়া দলের ব্যাটার এবং হাইস্কোরিং ম্যাচ প্রসঙ্গে লিটন দাস জানিয়েছেন, ‘শুরুতে বা পরে ব্যাট করেন রান তো ব্যাটারদেরকেই করতে হবে। তাদেরকে পুরো দায়িত্ব নিয়েই ব্যাটিং করতে হবে।’
আগে ব্যাট করলে বড় রান করতে পারলেও একই ব্যাটাররা রান তাড়া করতে গেলে বড় রান পেতে কিছুটা সংগ্রাম করেন। এই ঘটনা কেন ঘটছে এমন প্রশ্নের জবাবে লিটন জানান, ‘ভালো প্রশ্ন। আগে ব্যাট করলে তো কোনো টার্গেট থাকে না। পরে ব্যাট করতে গেলে ৩০০ বা ৩০০+ রান টার্গেট থাকে, তখন একটু আগ্রাসী ব্যাট করতে হয়। আমরা বেশিরভাগ ৬ ব্যাটার নিয়েই খেলি, লোয়ার অর্ডার সেভাবে দলে অবদান রাখতে না পারলে কাজটা একটু কঠিন হয়ে যায়। তবে চেষ্টা করছি সেসব শুধরে নেওয়ার।’








