পাগলা মসজিদে ৬ বছর ধরে জমা পড়া স্বর্ণ-রুপার ওজন মাপছে প্রশাসন

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া স্বর্ণালংকার, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার শ্রেণিবিন্যাস, ওজন নির্ধারণ ও গণনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

দীর্ঘ ছয় বছর পর সোমবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কার্যক্রমে দানবাক্সে পাওয়া স্বর্ণালংকার, রুপা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পৃথকভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হচ্ছে। পরে এসব সামগ্রীর ওজন নির্ধারণ ও গণনার মাধ্যমে সঠিক পরিমাণ হিসাব করা হবে। মূল্যবান এসব সামগ্রীর সঠিক হিসাব সংরক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

জানা যায়, গত ২৭ জুন দীর্ঘ ছয় মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। সেদিন দানবাক্সগুলো থেকে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ গণনার জন্য প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ৫৯০ সদস্যের একটি দল অংশ নেয়। ধাপে ধাপে নগদ অর্থ গণনার পাশাপাশি দানবাক্সে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, রুপা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীও পৃথক করা হয়।

নগদ অর্থ গণনার কাজ শেষ হলেও স্বর্ণালংকার, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার সঠিক পরিমাণ নির্ধারণের জন্য পৃথকভাবে শ্রেণিবিন্যাস, ওজন পরিমাপ ও গণনার প্রয়োজন হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এসব মূল্যবান সামগ্রীর হিসাব নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। গণনা শেষে এসব সামগ্রীর মোট পরিমাণ ও আর্থিক মূল্য জানা যাবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» সিনেমা হলের জন্য হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ চান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

» হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ গ্রেপ্তার

» মিরপুরে শামীম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক এমপি হাসনাতের ছেলে মঈনউদ্দীন

» নির্লজ্জতার এক নতুন উদাহরণ দেখা গেল চুয়েটে: সাদিক কায়েমের ফেসবুক পোস্ট

» পাগলা মসজিদে ৬ বছর ধরে জমা পড়া স্বর্ণ-রুপার ওজন মাপছে প্রশাসন

» বিরোধীদের সঙ্গে মোদী সরকারের ২০০ কর্মকর্তার যোগাযোগ, দাবি রাহুলের

» অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ব্যবহার করেন? অজান্তেই শরীরে ঢুকছে বিষ!

» শাহজাহানপুরে বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের সৌন্দর্যবর্ধন কাজের উদ্বোধন

» জিএম কাদেরকে গ্রেফতারের দাবিতে বাসার সামনে মিছিল, হামলার অভিযোগ

» নাশকতা করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে পরাজিত শক্তি: রিজভী

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

পাগলা মসজিদে ৬ বছর ধরে জমা পড়া স্বর্ণ-রুপার ওজন মাপছে প্রশাসন

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া স্বর্ণালংকার, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার শ্রেণিবিন্যাস, ওজন নির্ধারণ ও গণনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

দীর্ঘ ছয় বছর পর সোমবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ কার্যক্রমে দানবাক্সে পাওয়া স্বর্ণালংকার, রুপা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পৃথকভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হচ্ছে। পরে এসব সামগ্রীর ওজন নির্ধারণ ও গণনার মাধ্যমে সঠিক পরিমাণ হিসাব করা হবে। মূল্যবান এসব সামগ্রীর সঠিক হিসাব সংরক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

জানা যায়, গত ২৭ জুন দীর্ঘ ছয় মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। সেদিন দানবাক্সগুলো থেকে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ গণনার জন্য প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ৫৯০ সদস্যের একটি দল অংশ নেয়। ধাপে ধাপে নগদ অর্থ গণনার পাশাপাশি দানবাক্সে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, রুপা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীও পৃথক করা হয়।

নগদ অর্থ গণনার কাজ শেষ হলেও স্বর্ণালংকার, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার সঠিক পরিমাণ নির্ধারণের জন্য পৃথকভাবে শ্রেণিবিন্যাস, ওজন পরিমাপ ও গণনার প্রয়োজন হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এসব মূল্যবান সামগ্রীর হিসাব নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। গণনা শেষে এসব সামগ্রীর মোট পরিমাণ ও আর্থিক মূল্য জানা যাবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com