ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : বিশ্বকাপের শেষ ৩২ এ মঙ্গলবার মুখোমুখি হবে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ও সুইডেন। গ্রুপপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করা ফরাসিরা পরিষ্কার ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামছে। অন্যদিকে সেরা আট তৃতীয় স্থানধারী দলের একটি হিসেবে নকআউটে ওঠা সুইডেন অঘটন ঘটানোর স্বপ্ন দেখছে।
গ্রুপপর্বে টানা তিন ম্যাচ জিতে শতভাগ সাফল্য নিয়ে নিজেদের গ্রুপের শীর্ষে থেকে শেষ ৩২ নিশ্চিত করে ফ্রান্স। সেনেগাল, ইরাক ও নরওয়েকে হারানোর পথে তারা ১০টি গোল করেছে, হজম করেছে মাত্র ২টি।
সবশেষ ম্যাচে নরওয়েকে ৪-১ গোলে হারানোর পথে উসমান দেম্বেলে তিনটি গোল করেন। এতে বোঝা গেছে, শুধু কিলিয়ান এমবাপ্পে নন, আক্রমণে একাধিক ভরসা রয়েছে ফরাসিদের। শক্তিশালী বেঞ্চ ও ভারসাম্যপূর্ণ দলই তাদের শিরোপার অন্যতম দাবিদার করে তুলেছে।
তবে ফ্রান্সের সামনে কঠিন পথও অপেক্ষা করছে। কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কো এবং সেমিফাইনালে স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের মুখোমুখি হতে হতে পারে।
এদিকে বিশ্বকাপে সুইডেনের পথ মোটেও সহজ ছিল না। তিউনিসিয়াকে হারালেও নেদারল্যান্ডসের কাছে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত হয় তারা। শেষ ম্যাচে জাপানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দল হিসেবে নকআউটে ওঠে।
গ্রুপপর্বে তিন ম্যাচে সুইডেন সাতটি গোল করেছে, আবার সাতটিই হজম করেছে। তাদের রক্ষণভাগ এখনো পুরোপুরি আত্মবিশ্বাস জাগাতে পারেনি। তবু আক্রমণে অ্যান্থনি এলাঙ্গা, আলেকজান্ডার ইসাক ও ভিক্টর জিওকেরেস প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি হতে পারেন।
ফ্রান্স শিবিরে উইলিয়াম সালিবা পিঠের সমস্যায় আগের ম্যাচে বিশ্রামে ছিলেন। তবে নকআউট ম্যাচে তার খেলার সম্ভাবনাই বেশি। রক্ষণে থাকবেন দায়ো উপামেকানো। মাঝমাঠে অরেলিয়ান চুয়ামেনি ও আদ্রিয়ান রাবিওকে দেখা যেতে পারে।
আক্রমণে এমবাপ্পেকে সহায়তা করবেন মাইকেল অলিসে, উসমান দেম্বেলে ও দেজিরে দুয়ে। ইতোমধ্যে চার গোল করা এমবাপ্পে টুর্নামেন্টে নিজের গোলসংখ্যা আরও বাড়াতে চাইবেন।
অন্যদিকে সুইডেনের রক্ষণে চোটের কারণে পরিবর্তন আসতে পারে। ফলে অধিনায়ক ভিক্টর লিন্ডেলফকে মাঝমাঠ ছেড়ে রক্ষণে নামতে হতে পারে।
কাগজে-কলমে ফ্রান্স অনেকটাই এগিয়ে থাকলেও নকআউট পর্বে ছোট একটি ভুলও ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। তবু সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় ফরাসিদের জয়ের সম্ভাবনাই বেশি।








