ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : সপ্তমবারের মতো নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। ২০১৪ সালে প্রথমবার বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্টে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল নিগার সুলতানারা।
চলতি মাসে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এবারের বিশ্বকাপের মধ্যে দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। স্পিন, অভিজ্ঞতা এবং এক দশকের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একসঙ্গে বেড়ে ওঠা একদল ক্রিকেটারদের ওপর ভিত্তি করে গড়া এই স্কোয়াডকে দিয়ে ইতিহাস গড়তে চান টাইগার অধিনায়ক।
ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে মারুফা আক্তার এক্স-ফ্যাক্টর হবেন বলে আশা করা হচ্ছে এবং টুর্নামেন্টে তার বোলের গতির দেখার জন্য মুখিয়ে থাকবে সবাই। অলরাউন্ডার স্বর্ণা আক্তার দলের অন্যতম প্রধান পারফরম্যান্সকারী হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। গ্লোবাল কোয়ালিফায়ারে তিনি বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট (৮) নিয়েছেন।
অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি সাম্প্রতিক ত্রি-সিরিজের ফর্ম ধরে রেখেছেন, যেখানে তিনি সর্বোচ্চ রান (৬৩.৩৩ গড়ে ১৯০ রান) করেছিলেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেন তিনি। ২০ ইনিংসে ৮৬.৩৬ স্ট্রাইক রেটে ৪৫৬ রান করেছেন। সামনে পাঁচটি গ্রুপ ম্যাচ থাকায় টুর্নামেন্টে ৫০০ রান অতিক্রমকারী প্রথম বাংলাদেশী নারী ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন এই নারী ক্রিকেটার।
যদিও ২০২৪ বিশ্বকাপের পর থেকে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি রেকর্ড খুব একটা ভালো নয়। ওই বছরের নভেম্বরে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজে আয়ারল্যান্ডের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে এবং জানুয়ারিতে ক্যারিবিয়ানে ওয়েস্ট ইন্ডিজও হেরে যায়। নেপালে সাতটি কোয়ালিফায়ার ম্যাচে অপরাজিত থাকাটা ছিল এই পর্বের সেরা মুহূর্ত। কিন্তু বিশ্বকাপের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশে এসে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেয়। এরপর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি ম্যাচ জেতার বিষয়ে আশাবাদী নিগার সুলতানা।
বিশ্বকাপে ‘এ’ গ্রুপে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেদারল্যান্ডস গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ। আগামী ১৪ জুন নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের মূল পর্ব শুরু করবে তারা। এরপর ১৭ জুন অস্ট্রেলিয়া, ২০ জুন পাকিস্তান এবং ২৫ জুন ভারত ও ২৮ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামবে জ্যেতিরা। কঠিন গ্রুপে টিকে থাকতে অভিজ্ঞ মূল দলের ওপর ভরসা করছে স্পিন-নির্ভর বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ স্কোয়াড:
নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক, উইকেটরক্ষক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), শারমিন আক্তার সুপ্তা, শোভনা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, ঋতু মনি, রাবেয়া খান, ফাহিমা খাতুন, ফারিহা ইসলাম ত্রিসনা, মারুফা আক্তার, শানজিদা আক্তার মাঘলা, সুলতানা খাতুন, দিলারা আক্তার, জুয়ারিয়া ফেরদৌস, তাজ নেহার।
দিলারা আক্তার (উইকেটরক্ষক), জুয়ারিয়া ফেরদৌস, শারমিন আক্তার সুপ্তা, শোভনা মোস্তারি, নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), স্বর্ণা আক্তার, ঋতু মনি, রাবেয়া খান, নাহিদা আক্তার, ফাহিমা খাতুন, মারুফা আক্তার, সুলতানা খাতুন।








