তবে এই খাদ্যাভ্যাসের পেছনে রয়েছে এক গভীর মানসিক পরিবর্তন। জয়া জানান, বর্তমানে তিনি মাছ বা ডিম খেতেও দ্বিধাবোধ করছেন। তার কথায়, ‘ইদানিং তো ডিমও খেতে পারছি না, মাছও খেতে পারছি না। আমার মনে হয় আমি প্রাণী হত্যা করছি। এটি আমার একটি মানসিক সমস্যা।’
প্রাণীদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে গিয়েই জয়ার মনে এই বোধ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি যখন অ্যানিমেল রাইটস নিয়ে কাজ করা শুরু করলাম, তখন থেকে এই বোধটা প্রকট হয়েছে। এখন চিকেন খেলে আমার মনে হয় আমি রাস্তার চারপেয়ে বাচ্চাদের (কুকুর-বিড়াল) খাবার খেয়ে ফেলছি। তবে আমি মনে করি সবারই প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত, বিশেষ করে মেয়েদের।’
জয়া বলেন, ‘শুটিং সেটে শিঙাড়া, কাঁচা মরিচ আর পেঁয়াজ না দিলে আমার মাথা গরম হয়ে যায়। এটা আমাদের শুটিংয়ের জাতীয় খাবার।’ এছাড়া প্রতিদিন সকালে মায়ের হাতের এক কাপ দুধ চা না হলে তার চলেই না।
সবজি ও কাঁচা খাবারের প্রতি জয়ার দুর্বলতা ছোটবেলা থেকেই। অনেকেই মজা করে বলেন তিনি সব কাঁচা খান। এ প্রসঙ্গে জয়ার ভাষ্য, ‘সবকিছু কাঁচা খাই না, তবে আমি অনেক কিছু কাঁচা খেতে পারি।’








