হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প ৬টি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ

ছবি সংগৃহীত

 

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক :সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দেশে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ বা ব্লক করার চেষ্টার খবর নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি রাশিয়ান সরকারও তাদের নিজস্ব মেসেজিং অ্যাপ চালুর লক্ষ্যে হোয়াটসঅ্যাপের পরিষেবা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে যোগাযোগ সচল রাখা এবং ডেটা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প অ্যাপগুলো সম্পর্কে জেনে রাখা জরুরি। এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনসহ সেরা ৬টি নিরাপদ মেসেজিং অ্যাপের তালিকা নিচে দেওয়া হলো-

১. সিগন্যাল (Signal)

প্রাইভেসি বা গোপনীয়তার ক্ষেত্রে সিগন্যালকে সবচেয়ে নিরাপদ অ্যাপ ধরা হয়। হোয়াটসঅ্যাপের মতো এতেও এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন রয়েছে। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি ব্যবহারকারীর কোনো মেটাডেটা সংগ্রহ করে না। তবে এটি ব্যবহারের জন্য মোবাইল নম্বর প্রয়োজন।

২. টেলিগ্রাম (Telegram)

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৭০০ মিলিয়নের বেশি ব্যবহারকারী টেলিগ্রাম ব্যবহার করছেন। এতে বড় সাইজের ফাইল শেয়ার করা এবং বিশাল মেম্বারদের গ্রুপ বা চ্যানেল খোলার সুবিধা রয়েছে। এর ‘সিক্রেট চ্যাট’ ফিচারে হোয়াটসঅ্যাপের মতো এনক্রিপশন সুবিধা পাওয়া যায়।

৩. থ্রিমা (Threema)

যারা প্রাইভেসির ক্ষেত্রে কোনো আপস করতে চান না, তাদের জন্য থ্রিমা একটি চমৎকার সমাধান। এটি একটি পেইড অ্যাপ হলেও এতে কোনো ফোন নম্বর বা ইমেইল ছাড়াই চ্যাট করা সম্ভব। এটি ওপেন সোর্স এবং কোনো মেটাডেটা সংরক্ষণ করে না।

৪. ভাইবার (Viber)

দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় এই অ্যাপটি হোয়াটসঅ্যাপের একটি আদর্শ বিকল্প। এতে বার্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার (Self-destruct) ফিচার রয়েছে। এতে গ্রুপ চ্যাটে ২৫০ জন পর্যন্ত যুক্ত হতে পারেন। তবে ভাইবারে বিজ্ঞাপন দেখা যায় এবং কলিং সুবিধা শুধুমাত্র ভাইবার টু ভাইবার ইউজারদের জন্য ফ্রি।

৫. ওয়্যার (Wire)

ওয়্যার একটি ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক নিরাপদ মেসেজিং অ্যাপ। এটি ক্রস-প্লাটফর্ম বা বিভিন্ন ডিভাইসে একসাথে ব্যবহারের জন্য বেশ কার্যকর। তবে এটি মেটাডেটা সংরক্ষণ করে, যা অনেক সময় প্রাইভেসি সচেতনদের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

৬. ডিসকর্ড (Discord)

যদিও এটি মূলত গেমিং কমিউনিটির জন্য জনপ্রিয়, তবে বর্তমানে এটি একটি শক্তিশালী মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম। এখানে বড় গ্রুপ বা ‘সার্ভার’ তৈরি করে ভয়েস চ্যাট এবং স্ক্রিন শেয়ারিংয়ের দারুণ সুবিধা পাওয়া যায়।  সূএ: ঢাকা মেইল ডটকম

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» চব্বিশের গণহত্যার ৭ মামলায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড: সংসদে আইনমন্ত্রী

» আ.লীগকে প্রতিহত করার ঘোষণা ছাত্রদল সহ সভাপতির

» ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে

» বজ্রপাতে শ্রমিকসহ তিনজনের মৃত্যু

» বিশ্ব বাবা দিবস আজ

» সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

» সংসদ সদস্যদের মানোন্নয়ন করা দরকার : মান্না

» বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৯ জন গ্রেফতার

» যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার দ্রুত শেষ করার আহ্বান আঞ্চলিক নেতাদের

» দেশের ক্রীড়া যেন বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প ৬টি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ

ছবি সংগৃহীত

 

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক :সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দেশে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ বা ব্লক করার চেষ্টার খবর নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি রাশিয়ান সরকারও তাদের নিজস্ব মেসেজিং অ্যাপ চালুর লক্ষ্যে হোয়াটসঅ্যাপের পরিষেবা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে যোগাযোগ সচল রাখা এবং ডেটা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প অ্যাপগুলো সম্পর্কে জেনে রাখা জরুরি। এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনসহ সেরা ৬টি নিরাপদ মেসেজিং অ্যাপের তালিকা নিচে দেওয়া হলো-

১. সিগন্যাল (Signal)

প্রাইভেসি বা গোপনীয়তার ক্ষেত্রে সিগন্যালকে সবচেয়ে নিরাপদ অ্যাপ ধরা হয়। হোয়াটসঅ্যাপের মতো এতেও এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন রয়েছে। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি ব্যবহারকারীর কোনো মেটাডেটা সংগ্রহ করে না। তবে এটি ব্যবহারের জন্য মোবাইল নম্বর প্রয়োজন।

২. টেলিগ্রাম (Telegram)

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৭০০ মিলিয়নের বেশি ব্যবহারকারী টেলিগ্রাম ব্যবহার করছেন। এতে বড় সাইজের ফাইল শেয়ার করা এবং বিশাল মেম্বারদের গ্রুপ বা চ্যানেল খোলার সুবিধা রয়েছে। এর ‘সিক্রেট চ্যাট’ ফিচারে হোয়াটসঅ্যাপের মতো এনক্রিপশন সুবিধা পাওয়া যায়।

৩. থ্রিমা (Threema)

যারা প্রাইভেসির ক্ষেত্রে কোনো আপস করতে চান না, তাদের জন্য থ্রিমা একটি চমৎকার সমাধান। এটি একটি পেইড অ্যাপ হলেও এতে কোনো ফোন নম্বর বা ইমেইল ছাড়াই চ্যাট করা সম্ভব। এটি ওপেন সোর্স এবং কোনো মেটাডেটা সংরক্ষণ করে না।

৪. ভাইবার (Viber)

দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় এই অ্যাপটি হোয়াটসঅ্যাপের একটি আদর্শ বিকল্প। এতে বার্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার (Self-destruct) ফিচার রয়েছে। এতে গ্রুপ চ্যাটে ২৫০ জন পর্যন্ত যুক্ত হতে পারেন। তবে ভাইবারে বিজ্ঞাপন দেখা যায় এবং কলিং সুবিধা শুধুমাত্র ভাইবার টু ভাইবার ইউজারদের জন্য ফ্রি।

৫. ওয়্যার (Wire)

ওয়্যার একটি ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক নিরাপদ মেসেজিং অ্যাপ। এটি ক্রস-প্লাটফর্ম বা বিভিন্ন ডিভাইসে একসাথে ব্যবহারের জন্য বেশ কার্যকর। তবে এটি মেটাডেটা সংরক্ষণ করে, যা অনেক সময় প্রাইভেসি সচেতনদের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

৬. ডিসকর্ড (Discord)

যদিও এটি মূলত গেমিং কমিউনিটির জন্য জনপ্রিয়, তবে বর্তমানে এটি একটি শক্তিশালী মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম। এখানে বড় গ্রুপ বা ‘সার্ভার’ তৈরি করে ভয়েস চ্যাট এবং স্ক্রিন শেয়ারিংয়ের দারুণ সুবিধা পাওয়া যায়।  সূএ: ঢাকা মেইল ডটকম

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com