মালয়েশিয়ায় বিশ্ব ঘুড়ি উৎসব

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : তিন দশকেরও বেশি সময়ের ইতিহাসে এক অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের পাসির গুদাং বিশ্ব ঘুড়ি উৎসব। এ বছর সর্বাধিক দেশের অংশগ্রহণে উৎসবটি জায়গা করে নিয়েছে মালয়েশিয়া বুক অব রেকর্ডসে।

এবারের আয়োজনে বিশ্বের ছয়টি মহাদেশের ৫৬টি দেশ থেকে মোট ১৫৫ জন আন্তর্জাতিক ঘুড়ি শিল্পী ও অংশগ্রহণকারী যোগ দেন। এ সাফল্যের মধ্য দিয়ে পাসির গুদাং বিশ্ব ঘুড়ি উৎসব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলো।

জোহর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (মেন্ট্রি বেসার) দাতুক অন হাফিজ গাজি শনিবার রাতে বুকিত লায়াং-লায়াংয়ে অনুষ্ঠিত ২৮তম পাসির গুদাং বিশ্ব ঘুড়ি উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, এই অর্জন জোহর রাজ্যের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এই উৎসব কেবল ঘুড়ি ওড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এটি বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সৃজনশীলতার এক মহামিলন, যা বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষকে একত্র করে।

তিনি আরও বলেন, ছয় মহাদেশের ৫৬টি দেশ থেকে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানাতে পেরে রাজ্য সরকার সম্মানিত ও আনন্দিত। এই সাফল্য উৎসবটির বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক মানের আয়োজন করতে জোহরের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

পাসির গুদাং বিশ্ব ঘুড়ি উৎসব প্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে বুকিত লায়াং-লায়াংয়ে। এরপর থেকে এটি নিয়মিত বার্ষিক আয়োজনে পরিণত হয়। তবে ১৯৯৭ সালের এশীয় অর্থনৈতিক সংকট এবং কোভিড-১৯ মহামারির সময় উৎসবটি সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল।

মালয়েশিয়ান কাইট কাউন্সিলের সভাপতি দাতুক এ. রহিম নিন জানান, এর আগে ২০১৫ সালে সর্বোচ্চ ৪৯টি দেশের অংশগ্রহণ ছিল উৎসবটির রেকর্ড।

এটাই প্রথমবার, যখন অ্যান্টার্কটিকা বাদে বিশ্বের সব মহাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী পেয়েছি। এ বছর নতুনভাবে অংশ নিয়েছে তিউনিসিয়া ও উরুগুয়ে। ইউরোপীয় দেশগুলোর অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাই ছিল সবচেয়ে বেশি।

তিনি আরও জানান, বুধবার থেকে রোববার পর্যন্ত চলা এ উৎসবে ছয় লাখের বেশি দর্শনার্থী অংশ নিয়ে ছিলেন। প্রবেশপথে বসানো ছিল সেন্সরযুক্ত ক্যামেরা। যার মাধ্যমে দর্শনার্থীর সংখ্যা রিয়েল-টাইমে গণনা করা হয়েছে।

আকাশজুড়ে রঙিন ঘুড়ির মেলা আর মানুষের ঢল-সব মিলিয়ে পাসির গুদাং বিশ্ব ঘুড়ি উৎসব আবারও প্রমাণ করলো, এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং বিশ্বসংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা।  সূএ :জাগোনিউজ২৪.কম

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» বাবাকে হত্যার পর পালিয়ে থাকা ছেলে আটক

» থেমে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩

» কেন নাটকে কাজ কমিয়ে দিলেন সাদিয়া আয়মান?

» ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

» আঙুলের চোটে মিরপুর টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মুশফিক

» স্থানীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: মীর শাহে আলম

» জনগণের রায় মেনে রাজনীতি থেকে বিদায় নিন: নেতানিয়াহুকে আইজেনকোট

» বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

» বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

» মুচলেকার নামে নেওয়া হয় সই, পরীক্ষা ছাড়াই মাদক গ্রহণের দায়ে দেওয়া হয় ৮৫ জনকে সাজা

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

মালয়েশিয়ায় বিশ্ব ঘুড়ি উৎসব

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : তিন দশকেরও বেশি সময়ের ইতিহাসে এক অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের পাসির গুদাং বিশ্ব ঘুড়ি উৎসব। এ বছর সর্বাধিক দেশের অংশগ্রহণে উৎসবটি জায়গা করে নিয়েছে মালয়েশিয়া বুক অব রেকর্ডসে।

এবারের আয়োজনে বিশ্বের ছয়টি মহাদেশের ৫৬টি দেশ থেকে মোট ১৫৫ জন আন্তর্জাতিক ঘুড়ি শিল্পী ও অংশগ্রহণকারী যোগ দেন। এ সাফল্যের মধ্য দিয়ে পাসির গুদাং বিশ্ব ঘুড়ি উৎসব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলো।

জোহর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (মেন্ট্রি বেসার) দাতুক অন হাফিজ গাজি শনিবার রাতে বুকিত লায়াং-লায়াংয়ে অনুষ্ঠিত ২৮তম পাসির গুদাং বিশ্ব ঘুড়ি উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, এই অর্জন জোহর রাজ্যের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এই উৎসব কেবল ঘুড়ি ওড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এটি বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সৃজনশীলতার এক মহামিলন, যা বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষকে একত্র করে।

তিনি আরও বলেন, ছয় মহাদেশের ৫৬টি দেশ থেকে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানাতে পেরে রাজ্য সরকার সম্মানিত ও আনন্দিত। এই সাফল্য উৎসবটির বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক মানের আয়োজন করতে জোহরের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

পাসির গুদাং বিশ্ব ঘুড়ি উৎসব প্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে বুকিত লায়াং-লায়াংয়ে। এরপর থেকে এটি নিয়মিত বার্ষিক আয়োজনে পরিণত হয়। তবে ১৯৯৭ সালের এশীয় অর্থনৈতিক সংকট এবং কোভিড-১৯ মহামারির সময় উৎসবটি সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল।

মালয়েশিয়ান কাইট কাউন্সিলের সভাপতি দাতুক এ. রহিম নিন জানান, এর আগে ২০১৫ সালে সর্বোচ্চ ৪৯টি দেশের অংশগ্রহণ ছিল উৎসবটির রেকর্ড।

এটাই প্রথমবার, যখন অ্যান্টার্কটিকা বাদে বিশ্বের সব মহাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী পেয়েছি। এ বছর নতুনভাবে অংশ নিয়েছে তিউনিসিয়া ও উরুগুয়ে। ইউরোপীয় দেশগুলোর অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাই ছিল সবচেয়ে বেশি।

তিনি আরও জানান, বুধবার থেকে রোববার পর্যন্ত চলা এ উৎসবে ছয় লাখের বেশি দর্শনার্থী অংশ নিয়ে ছিলেন। প্রবেশপথে বসানো ছিল সেন্সরযুক্ত ক্যামেরা। যার মাধ্যমে দর্শনার্থীর সংখ্যা রিয়েল-টাইমে গণনা করা হয়েছে।

আকাশজুড়ে রঙিন ঘুড়ির মেলা আর মানুষের ঢল-সব মিলিয়ে পাসির গুদাং বিশ্ব ঘুড়ি উৎসব আবারও প্রমাণ করলো, এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং বিশ্বসংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা।  সূএ :জাগোনিউজ২৪.কম

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com