সংগৃহীত ছবি
অনলাইন ডেস্ক : টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। গতকাল রবিবার আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর ভেন্যু ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করেছে বিসিবি। এ বিষয়ে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির মনোভাব ইতিবাচক বলেই জানা গেছে।
ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ জানিয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে আয়োজনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না আইসিসি। যদিও এখনো এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। তবে এক বা দুই দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
তবে যতক্ষণ না আইসিসি বাংলাদেশের দাবি মেনে নিচ্ছে, ততক্ষণ পরিস্থিতি অনিশ্চিতই থাকছে। এই অবস্থায় আইসিসির সামনে আরও দুটি বিকল্প পথ খোলা রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।
প্রথম বিকল্প অনুযায়ী, ভারতে অনুষ্ঠেয় ম্যাচগুলোতে অংশ না নিলে বাংলাদেশ ওয়াকওভার দিতে বাধ্য হতে পারে। সেক্ষেত্রে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ দলগুলো প্রতিটি ম্যাচে দুই পয়েন্ট করে পাবে। অতীতেও এমন নজির রয়েছে। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে নিরাপত্তাজনিত কারণে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ শ্রীলঙ্কায় খেলতে না গেলে নিয়ম অনুযায়ী স্বাগতিকরা দুটি ম্যাচেই জয় পায়। ওই আসরেও ভারত ছিল যৌথ আয়োজক। আবার ২০০৩ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড জিম্বাবুয়েতে না গিয়ে ম্যাচ পরিত্যক্ত করে, ফলে পূর্ণ পয়েন্ট পায় স্বাগতিকরা। একই আসরে কেনিয়ার বিপক্ষে না খেলায় নিউজিল্যান্ডও ওয়াকওভার দেয়।
দ্বিতীয় বিকল্পটি আরও কঠিন। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশকে পুরো বিশ্বকাপ থেকেই বাদ দেওয়া হতে পারে। তখন অন্য কোনো দেশকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেওয়া হবে। এমন ঘটনা ঘটেছিল ২০১৬ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে। নিরাপত্তাজনিত কারণে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে খেলতে না এলে তাদের বাদ দিয়ে বাছাইপর্বের রানার্সআপ আয়ারল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বিশ্বকাপের বর্তমান সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের সব ম্যাচই ভারতে হওয়ার কথা। এর মধ্যে তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এবং একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নির্ধারিত রয়েছে। হাতে মাত্র এক মাস সময় থাকায় এখন দেখার বিষয়, বাংলাদেশের দাবি মেনে আইসিসি চারটি ম্যাচই ভারতের বাইরে সরানোর অনুমোদন দেয় কি না।








