নবজাতকের সংক্রমণ হলে বুঝবেন যেভাবে

সংগৃহীত ছবি

 

লাইফস্টাইল ডেস্ক  : জন্মের পরের প্রথম কয়েক সপ্তাহ প্রতিটি শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবজাতকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তখনও বিকশিত হয়, তাই তাদের ক্ষেত্রে বড় শিশুদের তুলনায় সংক্রমণ অনেক দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে প্রাথমিক লক্ষণগুলো সূক্ষ্ম থাকে এবং সহজে বুঝতে পারা যায় না। সেপসিস এবং নিউমোনিয়ার মতো গুরুতর অবস্থা নবজাতকের অসুস্থতার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে বাবা-মায়েরা আগেভাগেই লক্ষণগুলো বুঝতে পারলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সহজ হয়।

নবজাতকের সংক্রমণ বড় শিশুদের সংক্রমণের চেয়ে আলাদা। জীবনের প্রথম ২৮ দিনে শিশুদের মধ্যে উচ্চ জ্বর বা তীব্র কাশির মতো সাধারণ লক্ষণ দেখা নাও যেতে পারে। এর বদলে তাদের খাবার খাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শরীরের তাপমাত্রায় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো অস্পষ্ট মনে হতে পারে, তবে এগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংক্রমণের ইঙ্গিত দেয়।

নবজাতকের সংক্রমণ কীভাবে সনাক্ত করবেন?

প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণের মধ্যে একটি হলো খাওয়া বা আচরণে পরিবর্তন। যদি আপনার নবজাতক খুব বেশি ঘুমিয়ে থাকে, কয়েকবার দুধ খাওয়ার পরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে, অথবা হঠাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম খায়, তাহলে এটি অন্তর্নিহিত সংক্রমণের ইঙ্গিত দিতে পারে।

শিশুর সংক্রমণের অন্যান্য লক্ষণ

যে শিশু আগে সক্রিয় ছিল কিন্তু হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে শান্ত, অস্থির অথবা কম প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে পড়ে তারও চিকিৎসার প্রয়োজন।

ক্রমাগত উচ্চ শব্দে কান্না যা শান্ত করা যায় না তা আরেকটি উদ্বেগজনক লক্ষণ।

নবজাতকদের ক্ষেত্রে খেতে না চাওয়া বা আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন জ্বরের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

শরীরের তাপমাত্রা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। 38°C (100.4°F) বা তার বেশি জ্বরকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত।

তবে, 36°C (96.8°F) এর নিচে কম তাপমাত্রাও একই রকম উদ্বেগজনক হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা কম হলে শিশুকে স্পর্শে ঠান্ডা মনে হবে, বিশেষ করে হাত ও পায়ে। নবজাতকের উচ্চ এবং নিম্ন উভয় তাপমাত্রারই দ্রুত চিকিৎসা, এমনকী অন্য কোনো লক্ষণ না থাকলেও।

সূএ :ঢাকা পোস্ট ডটকম

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ইসলামী ব্যাংকের কারণেই আরেকটা ৫ আগস্ট ঘটে যেতে পারে : সেলিম উদ্দিন

» সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল : সেই জরাজীর্ণ বাসের লাইসেন্স বাতিল

» কাদের গণি চৌধুরীর বড় ভাই আহমদ গণি চৌধুরী আর নেই

» চীনের এজেন্ট হয়ে আমেরিকায় ছদ্মনামে সাংবাদিকতা, অতঃপর…

» সিরাজগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কে প্রায় ৫ কিলোমিটার যানজট

» জেনে নিন ফ্রান্সের বিফ স্টু তৈরির সহজ রেসিপি

» ২৫ বছর পর আবার ফিরছে আমির খানের সেই সিনেমা

» এই গ্রামের পুরুষদের লক্ষ্যই পালোয়ান হওয়া

» রূপচর্চায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল: কীভাবে ব্যবহার করবেন?

» কাঁটা ফেলে মাছ কাটার এই কৌশল অনেকেরই অজানা!

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

নবজাতকের সংক্রমণ হলে বুঝবেন যেভাবে

সংগৃহীত ছবি

 

লাইফস্টাইল ডেস্ক  : জন্মের পরের প্রথম কয়েক সপ্তাহ প্রতিটি শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবজাতকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তখনও বিকশিত হয়, তাই তাদের ক্ষেত্রে বড় শিশুদের তুলনায় সংক্রমণ অনেক দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে প্রাথমিক লক্ষণগুলো সূক্ষ্ম থাকে এবং সহজে বুঝতে পারা যায় না। সেপসিস এবং নিউমোনিয়ার মতো গুরুতর অবস্থা নবজাতকের অসুস্থতার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে বাবা-মায়েরা আগেভাগেই লক্ষণগুলো বুঝতে পারলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সহজ হয়।

নবজাতকের সংক্রমণ বড় শিশুদের সংক্রমণের চেয়ে আলাদা। জীবনের প্রথম ২৮ দিনে শিশুদের মধ্যে উচ্চ জ্বর বা তীব্র কাশির মতো সাধারণ লক্ষণ দেখা নাও যেতে পারে। এর বদলে তাদের খাবার খাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শরীরের তাপমাত্রায় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো অস্পষ্ট মনে হতে পারে, তবে এগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংক্রমণের ইঙ্গিত দেয়।

নবজাতকের সংক্রমণ কীভাবে সনাক্ত করবেন?

প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণের মধ্যে একটি হলো খাওয়া বা আচরণে পরিবর্তন। যদি আপনার নবজাতক খুব বেশি ঘুমিয়ে থাকে, কয়েকবার দুধ খাওয়ার পরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে, অথবা হঠাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম খায়, তাহলে এটি অন্তর্নিহিত সংক্রমণের ইঙ্গিত দিতে পারে।

শিশুর সংক্রমণের অন্যান্য লক্ষণ

যে শিশু আগে সক্রিয় ছিল কিন্তু হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে শান্ত, অস্থির অথবা কম প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে পড়ে তারও চিকিৎসার প্রয়োজন।

ক্রমাগত উচ্চ শব্দে কান্না যা শান্ত করা যায় না তা আরেকটি উদ্বেগজনক লক্ষণ।

নবজাতকদের ক্ষেত্রে খেতে না চাওয়া বা আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন জ্বরের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

শরীরের তাপমাত্রা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। 38°C (100.4°F) বা তার বেশি জ্বরকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত।

তবে, 36°C (96.8°F) এর নিচে কম তাপমাত্রাও একই রকম উদ্বেগজনক হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা কম হলে শিশুকে স্পর্শে ঠান্ডা মনে হবে, বিশেষ করে হাত ও পায়ে। নবজাতকের উচ্চ এবং নিম্ন উভয় তাপমাত্রারই দ্রুত চিকিৎসা, এমনকী অন্য কোনো লক্ষণ না থাকলেও।

সূএ :ঢাকা পোস্ট ডটকম

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com