ভূমিকম্পে ঝুঁকি এড়াতে মাউশির একগুচ্ছ নির্দেশনা

ফাইল ছবি

 

অনলাইন ডেস্ক : ভূমিকম্প নিয়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। নির্দেশনায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী ক্লাসরুম বা অনলাইন ক্লাস চালু করার কথা বলা হয়েছে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) সব অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশনা সংক্রান্ত এ চিঠি পাঠানো হয়েছে। মাউশির দেয়া চিঠিতে বলা হয়, দেশের কয়েকটি জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত ভূমিকম্পের প্রেক্ষাপটে সারা দেশে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের জন্য উল্লিখিত সতর্কতামূলক নির্দেশনা অনুসরণের জন্য বলা হলো।  ভূমিকম্প বিষয়ে শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উল্লিখিত দিক নির্দেশনা দেয়া যেতে পারে।

১. ভূমিকম্পের সময় শান্ত থাকা এবং প্যানিক, আতঙ্কগ্রস্ত না হওয়া।
২. ভবনের অভ্যন্তরে থাকলে টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নেয়া।
৩. ভবনের বাইরে থাকলে খোলা জায়গায় চলে যাওয়া, যেখানে কোনো ভবন বা গাছপালা নেই।
৪. ভূমিকম্পের সময় লিফট ব্যবহার থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা।
৫. ভূমিকম্পের পর বাইরে যাওয়ার সময় সতর্ক থাকা; কারণ ভবন বা দেয়াল ধসে পড়তে পারে।
৬. ভূমিকম্পের পর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন পানি, খাদ্য, ফার্স্ট এইড কিট ইত্যাদি সংগ্রহ করা।
৭. কলাম দেয়া পাকা ঘরে কলামের সঙ্গে গোড়ায় আশ্রয় নেয়া।
৮. ওপর তলায় থাকলে কম্পন বা ঝাঁকুনি পর্যন্ত অপেক্ষা করা এবং লাফ দিয়ে নামার চেষ্টা না করা।
৯. কম্পন বা ঝাঁকুনি থামলে সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে পড়া। দ্রুত বৈদ্যুতিক ও গ্যাস সুইচ বন্ধ করা ও আগুন নেভানো।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন-স্থাপনার ক্ষেত্রে মাউশির নির্দেশনা

১. বিদ্যালয়ের ভবনগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করা।
২. ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো সংস্কার করা।
৩. ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোতে সতর্কতা চিহ্ন যুক্ত করা।
৪. ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা, যেমন: অস্থায়ী ক্লাসরুম বা অনলাইন ক্লাস চালু করা।

উল্লেখ্য, গত ২১ নভেম্বর সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ঢাকাসহ সারাদেশ। এতে অন্তত ১০ জন নিহত হন। আহত হন কয়েকশ মানুষ। পরদিন ২২ নভেম্বর সকালে আরও একবার এবং সন্ধ্যায় দুইবারসহ মোট তিনবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এই ভূমিকম্পগুলো উৎপত্তিস্থল নরসিংদীতে। তবে একটির উৎপত্তি হয়েছে রাজধানীর বাড্ডায়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না: মঞ্জু

» গণরায় বাস্তবায়ন না করে ফ্যাসিবাদী স্টাইলে দেশ চালাচ্ছে সরকার: গোলাম পরওয়ার

» গণভোটের রায় পূর্ণ বাস্তবায়নে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মামুনুল হক

» প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত

» সরকারি ও বিরোধী দল উভয়ের প্রতি ন্যায় বিচারের চেষ্টা করি : স্পিকার

» অন্তর্বর্তী সরকার হামের টিকা দেশে না আনায় অনেক শিশু মারা গেছে: স্পিকার

» দেশের স্বার্থ বিরোধী চক্র কিন্তু এখনো সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

» রাজধানীর জোয়ারসাহারায় চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট

» নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সব ম্যাচ সরাসরি দেখুন টফিতে

» হজযাত্রীদের জন্য প্রথম ফাইভ–জি রোমিং আনল বাংলালিংক

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

ভূমিকম্পে ঝুঁকি এড়াতে মাউশির একগুচ্ছ নির্দেশনা

ফাইল ছবি

 

অনলাইন ডেস্ক : ভূমিকম্প নিয়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। নির্দেশনায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী ক্লাসরুম বা অনলাইন ক্লাস চালু করার কথা বলা হয়েছে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) সব অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশনা সংক্রান্ত এ চিঠি পাঠানো হয়েছে। মাউশির দেয়া চিঠিতে বলা হয়, দেশের কয়েকটি জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত ভূমিকম্পের প্রেক্ষাপটে সারা দেশে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের জন্য উল্লিখিত সতর্কতামূলক নির্দেশনা অনুসরণের জন্য বলা হলো।  ভূমিকম্প বিষয়ে শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উল্লিখিত দিক নির্দেশনা দেয়া যেতে পারে।

১. ভূমিকম্পের সময় শান্ত থাকা এবং প্যানিক, আতঙ্কগ্রস্ত না হওয়া।
২. ভবনের অভ্যন্তরে থাকলে টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নেয়া।
৩. ভবনের বাইরে থাকলে খোলা জায়গায় চলে যাওয়া, যেখানে কোনো ভবন বা গাছপালা নেই।
৪. ভূমিকম্পের সময় লিফট ব্যবহার থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা।
৫. ভূমিকম্পের পর বাইরে যাওয়ার সময় সতর্ক থাকা; কারণ ভবন বা দেয়াল ধসে পড়তে পারে।
৬. ভূমিকম্পের পর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন পানি, খাদ্য, ফার্স্ট এইড কিট ইত্যাদি সংগ্রহ করা।
৭. কলাম দেয়া পাকা ঘরে কলামের সঙ্গে গোড়ায় আশ্রয় নেয়া।
৮. ওপর তলায় থাকলে কম্পন বা ঝাঁকুনি পর্যন্ত অপেক্ষা করা এবং লাফ দিয়ে নামার চেষ্টা না করা।
৯. কম্পন বা ঝাঁকুনি থামলে সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে পড়া। দ্রুত বৈদ্যুতিক ও গ্যাস সুইচ বন্ধ করা ও আগুন নেভানো।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন-স্থাপনার ক্ষেত্রে মাউশির নির্দেশনা

১. বিদ্যালয়ের ভবনগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করা।
২. ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো সংস্কার করা।
৩. ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোতে সতর্কতা চিহ্ন যুক্ত করা।
৪. ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা, যেমন: অস্থায়ী ক্লাসরুম বা অনলাইন ক্লাস চালু করা।

উল্লেখ্য, গত ২১ নভেম্বর সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ঢাকাসহ সারাদেশ। এতে অন্তত ১০ জন নিহত হন। আহত হন কয়েকশ মানুষ। পরদিন ২২ নভেম্বর সকালে আরও একবার এবং সন্ধ্যায় দুইবারসহ মোট তিনবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এই ভূমিকম্পগুলো উৎপত্তিস্থল নরসিংদীতে। তবে একটির উৎপত্তি হয়েছে রাজধানীর বাড্ডায়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com