ঢাকায় লোডশেডিং সমন্বয়ের মাধ্যমে সাশ্রয় করা বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলে পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : জ্বালানি ঘাটতি, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণ, সঞ্চালন ও গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা বিদ্যুতের চাহিদার সম্মিলিত প্রভাবেই দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিং পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

আজ মঙ্গলবার বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি, বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে কারিগরি সমস্যা ও রক্ষণাবেক্ষণজনিত কারণে উৎপাদন কমে যাচ্ছে।

একই সঙ্গে সঞ্চালন ও গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরো জটিল হয়েছে। এ অবস্থায় লোডশেডিংয়ের চাপ কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘসময় ধরে লোডশেডিং এড়াতে ঢাকার দুই বিতরণ সংস্থা ডিপিডিসি ও ডেসকোর আওতাধীন এলাকায় প্রয়োজনীয় মাত্রায় লোডশেডিং সমন্বয় করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকায় লোডশেডিং সমন্বয়ের মাধ্যমে সাশ্রয় করা বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর ফলে ঢাকার বাইরে শিল্প-কারখানাসহ গুরুত্বপূর্ণ গ্রাহক শ্রেণিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের চাপও কিছুটা কমানো সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিভাগটি। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের বোঝা তুলনামূলকভাবে সুষমভাবে বণ্টন করা যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্য বজায় রাখা এবং কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা গ্রাহক শ্রেণিকে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবঞ্চিত না রাখাই মূল লক্ষ্য।

জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা এবং গ্রিডের সীমাবদ্ধতা দূর করা গেলে পরিস্থিতি আরো স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনে দায়িত্বে থাকা একমাত্র রাষ্ট্রীয় সংস্থা পাওয়ার গ্রিড কম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে লোডশেডিং হয়েছে ২২৫৯ মেগাওয়াট। তখন ১৬১৭৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৩৯১৭ মেগাওয়াট।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» স্বাধীনতা যুদ্ধের বাঁশি বাজিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান: রিজভী

» এবার অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবুর বাড়িতে চুরি

» গ্যাস-বিদ্যুৎ-সার নিয়ে সংসদ ও রাজপথে সরব হবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম

» ২০৩০ সালের আগে সব ধর্মীয় উপাসনালয় সম্মানিভাতার আওতায় আসবে: রাষ্ট্রপতি

» হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার

» ঢাকায় লোডশেডিং সমন্বয়ের মাধ্যমে সাশ্রয় করা বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলে পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ

» পুলিশে বড় ধরনের রদবদল: দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি

» মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

» বাঙালি মুসলমানের আইডেন্টিটি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন বলেই হাদিকে টার্গেট করা হয়: মাহমুদুর রহমান

» অনিবার্য কারণে রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর স্থগিত

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

ঢাকায় লোডশেডিং সমন্বয়ের মাধ্যমে সাশ্রয় করা বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলে পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : জ্বালানি ঘাটতি, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণ, সঞ্চালন ও গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা বিদ্যুতের চাহিদার সম্মিলিত প্রভাবেই দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিং পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

আজ মঙ্গলবার বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি, বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে কারিগরি সমস্যা ও রক্ষণাবেক্ষণজনিত কারণে উৎপাদন কমে যাচ্ছে।

একই সঙ্গে সঞ্চালন ও গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরো জটিল হয়েছে। এ অবস্থায় লোডশেডিংয়ের চাপ কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘসময় ধরে লোডশেডিং এড়াতে ঢাকার দুই বিতরণ সংস্থা ডিপিডিসি ও ডেসকোর আওতাধীন এলাকায় প্রয়োজনীয় মাত্রায় লোডশেডিং সমন্বয় করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকায় লোডশেডিং সমন্বয়ের মাধ্যমে সাশ্রয় করা বিদ্যুৎ গ্রামাঞ্চলসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর ফলে ঢাকার বাইরে শিল্প-কারখানাসহ গুরুত্বপূর্ণ গ্রাহক শ্রেণিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের চাপও কিছুটা কমানো সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিভাগটি। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের বোঝা তুলনামূলকভাবে সুষমভাবে বণ্টন করা যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্য বজায় রাখা এবং কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা গ্রাহক শ্রেণিকে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবঞ্চিত না রাখাই মূল লক্ষ্য।

জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা এবং গ্রিডের সীমাবদ্ধতা দূর করা গেলে পরিস্থিতি আরো স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনে দায়িত্বে থাকা একমাত্র রাষ্ট্রীয় সংস্থা পাওয়ার গ্রিড কম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে লোডশেডিং হয়েছে ২২৫৯ মেগাওয়াট। তখন ১৬১৭৬ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয় ১৩৯১৭ মেগাওয়াট।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com