কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লালমনিরহাটের ২০ গ্রাম, আহত ১১

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : লালমনিরহাটের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে পাঁচটি উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে হাতীবান্ধা ও কালীগঞ্জ উপজেলায়। ঝড়ে অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ঝড়ে ঘর চাপা গাছের ডাল মাথায় পড়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন  জন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে  ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, সোমবার মধ্যরাতের ঝড়ে লালমনিরহাট- বুড়িমারী মহাসড়কের তুষভান্ডার ইউনিয়নে গাছ ভেঙে পড়লে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাছ সরিয়ে নিলে প্রায় এক ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ঝড়ের তীব্রতায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটিও উপড়ে পড়ে। যার ফলে অনেক এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। চরাঞ্চলে উঠতি ভুট্টা ক্ষেত এবং পাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কোনো কোনো এলাকায় কাঁচা ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অভিযোগ, ঝড় বয়ে যাওয়ার দীর্ঘ সময় পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেউ তাদের খোঁজ নেননি। ঘরবাড়ি হারিয়ে চরম বিপাকে পড়া অনেক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

নারায়ণ চন্দ্র রায়, বিজয় কুমার, গোপাল চন্দ্র রায় জানান, ঝড়ে তাদের ঘরবাড়ি, গবাদিপশু এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা আজ খোলা আকাশের নিচে কিংবা অন্যের আশ্রয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শুধু তারা নন, তাদের মতো আরো অনেক পরিবার চরম সংকটের মুখোমুখি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা আক্তার  আক্তার জাহান।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান জানান, ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। দ্রুতই ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারি ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» কার্ডের নামে বেকারত্বে উৎসাহ দিচ্ছে সরকার : হাসনাত আবদুল্লাহ

» রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণে হাফিজ উদ্দিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা

» রবিবার বঙ্গভবন ছাড়বেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি

» পদত্যাগকারী রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতারের দাবি ইনকিলাব মঞ্চের

» দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ছায়া নেমে গেল: বিরোধীদলীয় নেতা

» দাবি সিজেপির ‘পুরো দিল্লি বন্ধ করতে রাজি, তবু শিক্ষামন্ত্রীকে সরাচ্ছেন না মোদি’

» দেশে সব ধর্মাবলম্বী সমান অধিকার ভোগ করেন : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

» স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল

» ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

» পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লালমনিরহাটের ২০ গ্রাম, আহত ১১

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : লালমনিরহাটের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে পাঁচটি উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে হাতীবান্ধা ও কালীগঞ্জ উপজেলায়। ঝড়ে অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ঝড়ে ঘর চাপা গাছের ডাল মাথায় পড়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন  জন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে  ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, সোমবার মধ্যরাতের ঝড়ে লালমনিরহাট- বুড়িমারী মহাসড়কের তুষভান্ডার ইউনিয়নে গাছ ভেঙে পড়লে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাছ সরিয়ে নিলে প্রায় এক ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ঝড়ের তীব্রতায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটিও উপড়ে পড়ে। যার ফলে অনেক এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। চরাঞ্চলে উঠতি ভুট্টা ক্ষেত এবং পাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কোনো কোনো এলাকায় কাঁচা ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অভিযোগ, ঝড় বয়ে যাওয়ার দীর্ঘ সময় পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেউ তাদের খোঁজ নেননি। ঘরবাড়ি হারিয়ে চরম বিপাকে পড়া অনেক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

নারায়ণ চন্দ্র রায়, বিজয় কুমার, গোপাল চন্দ্র রায় জানান, ঝড়ে তাদের ঘরবাড়ি, গবাদিপশু এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা আজ খোলা আকাশের নিচে কিংবা অন্যের আশ্রয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শুধু তারা নন, তাদের মতো আরো অনেক পরিবার চরম সংকটের মুখোমুখি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা আক্তার  আক্তার জাহান।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান জানান, ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। দ্রুতই ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারি ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com