ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : একসময় এ স্টেশনে থামত একাধিক ট্রেন। এখন সকালে থামে শুধু একটি লোকাল ট্রেন। আন্তনগর ট্রেনে চড়তে হলে যেতে হয় অন্য স্টেশনে। দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে এবার রেললাইনে নেমেছেন নীলফামারীর দারোয়ানী এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবির একটাই, দারোয়ানী রেলস্টেশনে অন্তত দুটি আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করতে হবে।
বুধবার সকালে দারোয়ানী রেলস্টেশনে মানববন্ধন থেকে শুরু হয় তাঁদের কর্মসূচি। পরে রেললাইনে অবস্থান নিয়ে চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী রকেট মেইল ট্রেন আটকে দেন আন্দোলনকারীরা। এতে চিলাহাটি থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। আটকা পড়ে খুলনাগামী আন্তনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনও।
স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যানার নিয়ে স্টেশন এলাকায় মানববন্ধন করেন। পরে তাঁরা রেললাইনে অবস্থান নেন। আন্দোলনকারীদের দাবি, দারোয়ানী রেলস্টেশনটি পুরোনো হলেও সেখানে আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা নেই। এতে এলাকার সাধারণ যাত্রীদের দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া জামিয়ার রহমান বলেন, আমাদের এখানে শুধু একটি লোকাল ট্রেন থামে। স্টেশনটি অনেক পুরোনো। আমরা চাই, এখানে অন্তত দুটি আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা হোক।
আন্দোলনকারী সাফিন আহমেদ বলেন, আমি যতটুকু জানি, আমার বাবা-দাদারাও এই স্টেশন থেকে বিভিন্ন ট্রেনে যাতায়াত করতেন। আগে প্রায় দুই-তিনটি ট্রেন থামত। এখন শুধু সকালে একটি ট্রেন থামে, অন্য কোনো ট্রেন থামে না। আমরা চাই, আমাদের এখানে অন্তত দুটি আন্তনগর ট্রেনের স্টপেজ দেওয়া হোক।
এদিকে অবরোধের কারণে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নীলফামারী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশনমাস্টার ময়নুল হোসেন।
তিনি বলেন, বুধবার সকাল ৯টা ১৩ মিনিটে সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি নীলফামারী স্টেশনে প্রবেশ করে। এরই মধ্যে তিনি জানতে পারেন, দারোয়ানী স্টেশনে রকেট মেইল ট্রেনটি আটকে রেখে আন্দোলন করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখন পর্যন্ত ট্রেনটি ছেড়ে যায়নি।
দারোয়ানী স্টেশনে আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে স্থানীয়দের এই অবরোধের কারণে চিলাহাটি থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। তবে অবরোধ প্রত্যাহার এবং ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।








