২. ভেজানো পানি ফেলে দেবেন না : আমাদের মধ্যে অনেকেই ডাল ভেজানোর পানি ফেলে দিই। তবে পুষ্টিবিদের মতে, যখন আপনি পানিতে ডাল ভেজান, তখন ভিটামিন বি এবং ভিটামিন সি-এর মতো অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান পানিতে মিশে যায়। তাই যখন আপনি সেই পানি ফেলে দেন, তখন আপনি সেই ভিটামিনগুলোও ফেলে দেন।
এছাড়াও, পানিতে ভেজানোর আগে ডাল অন্তত ৩ থেকে ৪ বার ধুয়ে নেওয়া জরুরি। এতে সমস্ত ধুলো, পলিশ এবং যেকোনো ময়লা দূর হয়ে যায়। ডাল ভেজানোর সময় খেয়াল রাখবেন যেন পানি পরিষ্কার থাকে।
ডাল থেকে সেরা পুষ্টি পাওয়ার উপায় : আপনি যদি ভেবে থাকেন যে ডাল রান্না করাই একমাত্র উপায়, তবে আপনি ভুল। ডাল রান্না করার সময় অনুসরণ করার জন্য এখানে আরও কিছু টিপস রয়েছে:
১. অপরিশোধিত ডাল বেছে নিন :যদি দেখেন ডালগুলো চকচকে দেখাচ্ছে, তবে সেগুলো ব্যবহার করবেন না। কৃত্রিমভাবে পালিশ করা ডালে অনেকটা পুষ্টি নষ্ট হয়। অপরিশোধিত ডাল প্রাকৃতিক পুষ্টিতে ভরপুর থাকে।
২. গুণমানের দিকে খেয়াল রাখুন : ডালের জন্য শুধুমাত্র বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড ব্যবহার করুন যা প্রোটিনে উচ্চ, চর্বি কম এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে ভরপুর।
৩. বিভিন্ন ধরনের ডাল মেশান : শুধু এক ধরনের ডাল ব্যবহার করবেন না। বিভিন্ন ধরনের ডাল বিভিন্ন পুষ্টি সরবরাহ করে। বিষয়টিকে আকর্ষণীয় রাখতে বিভিন্ন ধরনের ডালের মিশ্রণ নিন।
৪. বিভিন্ন পদ তৈরি করুন :এটি দিয়ে আপনি বিভিন্ন পদ তৈরি করতে পারেন। শুধু ডাল-ভাত খাওয়া একঘেয়ে হয়ে যেতে পারে। আপনি ডাল দিয়ে সালাদ, নাস্তা বা এমনকি রুটিও তৈরি করতে পারেন। ডাল দিয়ে অনেক খাবার তৈরি করা যায়








