রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে মির্জা ফখরুল

ফাইল ছবি

 

অনলাইন ডেস্ক : দেশের ২৪তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তপশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তপশিল অনুযায়ী, নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে ২০ আগস্ট। মনোনয়নপত্র দাখিল ১৩ আগস্ট ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এই তপশিল ঘোষণা করেন।

এর আগে ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের নামসংবলিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠায় সংসদ সচিবালয়।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই দলীয় প্রার্থী নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। এর মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঘিরেই আশাবাদী হয়ে উঠছেন দলের নেতাকর্মীরা। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে প্রার্থী করার বিষয়ে দলের অভ্যন্তরে চাপ থাকলেও শেষ পর্যন্ত কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার একক দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। গত শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দলের স্থায়ী কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে সমকালকে জানান, তারা সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যানকে একা সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন। প্রয়োজন হলে তিনি পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠক ডেকে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারেন।

ওই দিন বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, দলের চেয়ারম্যানকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন, তপশিল ঘোষণার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বিশেষ অধিবেশনের প্রয়োজন পড়লে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিএনপি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি মনোনয়নে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নামও আছে।

বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা সমকালকে জানান, রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম এগিয়ে থাকলেও দলের চেয়ারম্যান শেষ পর্যন্ত চমক হিসেবে অন্য কাউকে এখানে নিয়ে আসতে পারেন। সেটা সম্পূর্ণ তাঁর নিজস্ব এখতিয়ার। তবে আমাদের মতামত দেওয়ার সুযোগ হলে আমরা অবশ্যই রাজনীতিবিদ থেকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার পক্ষে অবস্থান তুলে ধরতাম।
গত ২১ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মোঃ সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের ক্ষমতাবলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান আছে।

কীভাবে নির্বাচিত হবেন নতুন রাষ্ট্রপতি
গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদে প্রস্তাব করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সংসদের উভয় কক্ষের সদস্যদের (এমপি) গোপন ভোটে। বর্তমান ব্যবস্থায় ৩৫০ জন এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। ফলে এমপিরা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন না। বিদ্যমান ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে ভোট দিলে এমপি পদ বাতিল হবে।

এ নিয়মের কারণে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি হওয়া অবধারিত। বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছে একবারই, ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। জামায়াতে ইসলামীর ১৮ এমপি তাঁকে ভোট দেন। আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পান। পরের সাতটি নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার জয় ঠেকাতে জুলাই সনদে প্রস্তাব করা হয়, এমপিদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। যে ৩০টি সংস্কার প্রস্তাবে কোনো দলেরই নোট অব ডিসেন্ট ছিল না, এর একটি এই প্রস্তাব। তবে এখনও সংবিধান সংশোধন না হওয়ায় এই প্রস্তাব কার্যকর হয়নি। আবার সংসদের উচ্চকক্ষও গঠিত হয়নি সংবিধান সংশোধন না হওয়ায়। যদিও বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তনের কথা বলা আছে, যাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।

প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে জুলাই সনদে ছয় প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের একক ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দিতে পারবেন রাষ্ট্রপতি। বিএনপি এ প্রস্তাবের একাংশে নোট অব ডিসেন্ট দেয়। দলটি রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে নিয়োগের ক্ষমতা দিতে রাজি হয়নি। গণভোটে অনুমোদিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে যে ৯টি সংস্কার প্রস্তাবে নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, এর একটি এটি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১২ জন গ্রেপ্তার

» জামায়াতের আয়োজনে জাতীয় আলেম সম্মেলন শনিবার

» দ্রুত রান তুলে লিড নিল অজিরা, চাপে বাংলাদেশ

» বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

» রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে মির্জা ফখরুল

» কিছুটা কমেছে সবজির দাম

» বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, সহযোগীর বুকে বিদ্ধ

» সোনার গহনার দাম ভরিতে কমলো ৩২৬৬ টাকা

» “অদৃষ্টের বিপত্তি”

» ট্রেনের ৫ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে মির্জা ফখরুল

ফাইল ছবি

 

অনলাইন ডেস্ক : দেশের ২৪তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তপশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তপশিল অনুযায়ী, নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে ২০ আগস্ট। মনোনয়নপত্র দাখিল ১৩ আগস্ট ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এই তপশিল ঘোষণা করেন।

এর আগে ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের নামসংবলিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠায় সংসদ সচিবালয়।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই দলীয় প্রার্থী নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। এর মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঘিরেই আশাবাদী হয়ে উঠছেন দলের নেতাকর্মীরা। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে প্রার্থী করার বিষয়ে দলের অভ্যন্তরে চাপ থাকলেও শেষ পর্যন্ত কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার একক দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। গত শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দলের স্থায়ী কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে সমকালকে জানান, তারা সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যানকে একা সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন। প্রয়োজন হলে তিনি পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠক ডেকে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারেন।

ওই দিন বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, দলের চেয়ারম্যানকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন, তপশিল ঘোষণার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বিশেষ অধিবেশনের প্রয়োজন পড়লে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিএনপি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি মনোনয়নে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নামও আছে।

বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা সমকালকে জানান, রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম এগিয়ে থাকলেও দলের চেয়ারম্যান শেষ পর্যন্ত চমক হিসেবে অন্য কাউকে এখানে নিয়ে আসতে পারেন। সেটা সম্পূর্ণ তাঁর নিজস্ব এখতিয়ার। তবে আমাদের মতামত দেওয়ার সুযোগ হলে আমরা অবশ্যই রাজনীতিবিদ থেকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার পক্ষে অবস্থান তুলে ধরতাম।
গত ২১ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মোঃ সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের ক্ষমতাবলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান আছে।

কীভাবে নির্বাচিত হবেন নতুন রাষ্ট্রপতি
গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদে প্রস্তাব করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সংসদের উভয় কক্ষের সদস্যদের (এমপি) গোপন ভোটে। বর্তমান ব্যবস্থায় ৩৫০ জন এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। ফলে এমপিরা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন না। বিদ্যমান ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে ভোট দিলে এমপি পদ বাতিল হবে।

এ নিয়মের কারণে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি হওয়া অবধারিত। বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছে একবারই, ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। জামায়াতে ইসলামীর ১৮ এমপি তাঁকে ভোট দেন। আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পান। পরের সাতটি নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার জয় ঠেকাতে জুলাই সনদে প্রস্তাব করা হয়, এমপিদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। যে ৩০টি সংস্কার প্রস্তাবে কোনো দলেরই নোট অব ডিসেন্ট ছিল না, এর একটি এই প্রস্তাব। তবে এখনও সংবিধান সংশোধন না হওয়ায় এই প্রস্তাব কার্যকর হয়নি। আবার সংসদের উচ্চকক্ষও গঠিত হয়নি সংবিধান সংশোধন না হওয়ায়। যদিও বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তনের কথা বলা আছে, যাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।

প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে জুলাই সনদে ছয় প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের একক ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়াই মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দিতে পারবেন রাষ্ট্রপতি। বিএনপি এ প্রস্তাবের একাংশে নোট অব ডিসেন্ট দেয়। দলটি রাষ্ট্রপতিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে নিয়োগের ক্ষমতা দিতে রাজি হয়নি। গণভোটে অনুমোদিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে যে ৯টি সংস্কার প্রস্তাবে নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, এর একটি এটি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com