১ জুলাই কাজী জাফর আহমদ এর ৮৭ তম জন্মবার্ষিকী

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম কাজী জাফর আহমদ এর ৮৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল ১লা জুলাই বুধবার কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম চিওড়া কাজীবাড়িতে দিনব্যাপী পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, কবর জিয়ারত, বাদ আছর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে মরহুমের রাজনৈতিক সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিত হয়ে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা কাজী মোহাম্মদ নাহিদ।

সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত:
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমদ ৬৪ বছরের এক বর্ণাঢ্য ও বৈচিত্রময় রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন। ভাষা আন্দোলনের সিঁড়ি বেয়ে তিনি রাজনীতির অঙ্গনে প্রবেশ করেন। ১৯৫৫ সালে তিনি সক্রিয় ভাবে রাজনীতিতে যোগদান করেন। রাজশাহী জেলা ছাত্র ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক এবং রাজশাহী কলেজ সাহিত্য মজলিশের মুখপত্র, সাহিত্যিকীর সম্পাদক হিসেবে তাঁর কর্মময় রাজনীতিতে পদচারণা শুরু।

১৯৩৯ সালের ১লা জুলাই কুমিল্লার প্রখ্যাত চিওড়া কাজী পরিবারে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। মেধাবী ছাত্র হিসেবে তিনি খুলনা জেলা স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীকালে রাজশাহী সরকারী কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. অনার্স ও এম.এ. (ইতিহাস) পাশ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে এম.এ. এবং এল.এল.বি. কোর্স সম্পন্ন করা স্বত্ত্বেও কারাগারে চলে যাওয়ায় পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে পারেননি।

কাজী জাফর আহমদ ১৯৫৯-১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৬২-১৯৬৩ সালে অবিভক্ত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (এপসু) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬২ সালে সামরিক শাসন ও ঐতিহাসিক শরীফ শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে কাজী জাফর আহমদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ছাত্র জীবন শেষে তিনি শ্রমিক রাজনীতির সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। কাজী জাফর আহমদ ১৯৮৪ সালে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের (এসকফ) আন্দোলনের মাধ্যমে দাবী আদায় ও সরকারের সঙ্গে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের মূল ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন।

পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য কাজী জাফর আহমদ ১৯৭০ সাল থেকেই প্রচেষ্টা শুরু করেন। ১৯৭০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের উদ্যোগে ঢাকার পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভা থেকে স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ববাংলা তথা বাংলাদেশ কায়েমের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয় এবং তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। এ জনসভার অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন কাজী জাফর আহমদ। এজন্য পাকিস্তান সরকার ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের তিনি অন্যতম সংগঠক ছিলেন। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতার পতাকা উড্ডয়ন করেন।

১৯৭২-১৯৭৪ সালে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী তখন ছিলেন ন্যাপের সভাপতি। এরপর ১৯৭৪ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি ইউনাইটেড পিপলস্ পার্টির (ইউপিপি) প্রথমে সাধারণ সম্পাদক ও  পরে চেয়ারম্যান হিসেবে সক্রিয় ভাবে পার্টির সাংগঠনিক দায়িত্ব ও জাতীয় রাজনীতিতে বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রী পরিষদের শিক্ষামন্ত্রী হন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির জন্মলগ্ন থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬-১৯৯০ সালে তিনি জাতীয় পার্টির সরকারে পর্যায়ক্রমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বন্দর-জাহাজ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির রাজনৈতিক উপদেষ্টা, ১৯৮৯-১৯৯০ সালে বাংলাদেশের অষ্টম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৬-১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টির সংসদীয় দলের উপনেতা ও ১৯৮৯-১৯৯০ সালে জাতীয় পার্টির সংসদীয় দলের নেতা ছিলেন। ১৯৮৬-১৯৯৬ পর্যন্ত পরপর তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

» ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেলেন মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও মো. রীদওয়ানুল হক

» মৌলভীবাজারে নতুন পরিবেশ বান্ধব গ্রামীণফোন সেন্টারের যাত্রা শুরু

» বুয়েট ও চুয়েটে হুয়াওয়ের ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

» ১ জুলাই কাজী জাফর আহমদ এর ৮৭ তম জন্মবার্ষিকী

» স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ

» বিশ্বের সবচেয়ে দামি ১০ ফল

» আনারস-শসা দিয়ে তৈরি করুন ভিন্ন স্বাদের সালাদ

» গুগল ম্যাপস আপনাকে কি ভুল রাস্তা দেখাচ্ছে? এই সেটিং বদলে নিন এখনই

» অতিরিক্ত করলা খেলে শরীরের যে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

১ জুলাই কাজী জাফর আহমদ এর ৮৭ তম জন্মবার্ষিকী

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম কাজী জাফর আহমদ এর ৮৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল ১লা জুলাই বুধবার কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম চিওড়া কাজীবাড়িতে দিনব্যাপী পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, কবর জিয়ারত, বাদ আছর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে মরহুমের রাজনৈতিক সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিত হয়ে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা কাজী মোহাম্মদ নাহিদ।

সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত:
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমদ ৬৪ বছরের এক বর্ণাঢ্য ও বৈচিত্রময় রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন। ভাষা আন্দোলনের সিঁড়ি বেয়ে তিনি রাজনীতির অঙ্গনে প্রবেশ করেন। ১৯৫৫ সালে তিনি সক্রিয় ভাবে রাজনীতিতে যোগদান করেন। রাজশাহী জেলা ছাত্র ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক এবং রাজশাহী কলেজ সাহিত্য মজলিশের মুখপত্র, সাহিত্যিকীর সম্পাদক হিসেবে তাঁর কর্মময় রাজনীতিতে পদচারণা শুরু।

১৯৩৯ সালের ১লা জুলাই কুমিল্লার প্রখ্যাত চিওড়া কাজী পরিবারে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। মেধাবী ছাত্র হিসেবে তিনি খুলনা জেলা স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীকালে রাজশাহী সরকারী কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. অনার্স ও এম.এ. (ইতিহাস) পাশ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে এম.এ. এবং এল.এল.বি. কোর্স সম্পন্ন করা স্বত্ত্বেও কারাগারে চলে যাওয়ায় পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে পারেননি।

কাজী জাফর আহমদ ১৯৫৯-১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৬২-১৯৬৩ সালে অবিভক্ত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (এপসু) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬২ সালে সামরিক শাসন ও ঐতিহাসিক শরীফ শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে কাজী জাফর আহমদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ছাত্র জীবন শেষে তিনি শ্রমিক রাজনীতির সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। কাজী জাফর আহমদ ১৯৮৪ সালে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের (এসকফ) আন্দোলনের মাধ্যমে দাবী আদায় ও সরকারের সঙ্গে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের মূল ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন।

পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য কাজী জাফর আহমদ ১৯৭০ সাল থেকেই প্রচেষ্টা শুরু করেন। ১৯৭০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের উদ্যোগে ঢাকার পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভা থেকে স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ববাংলা তথা বাংলাদেশ কায়েমের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয় এবং তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। এ জনসভার অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন কাজী জাফর আহমদ। এজন্য পাকিস্তান সরকার ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের তিনি অন্যতম সংগঠক ছিলেন। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতার পতাকা উড্ডয়ন করেন।

১৯৭২-১৯৭৪ সালে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী তখন ছিলেন ন্যাপের সভাপতি। এরপর ১৯৭৪ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি ইউনাইটেড পিপলস্ পার্টির (ইউপিপি) প্রথমে সাধারণ সম্পাদক ও  পরে চেয়ারম্যান হিসেবে সক্রিয় ভাবে পার্টির সাংগঠনিক দায়িত্ব ও জাতীয় রাজনীতিতে বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রী পরিষদের শিক্ষামন্ত্রী হন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির জন্মলগ্ন থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬-১৯৯০ সালে তিনি জাতীয় পার্টির সরকারে পর্যায়ক্রমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বন্দর-জাহাজ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির রাজনৈতিক উপদেষ্টা, ১৯৮৯-১৯৯০ সালে বাংলাদেশের অষ্টম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৬-১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টির সংসদীয় দলের উপনেতা ও ১৯৮৯-১৯৯০ সালে জাতীয় পার্টির সংসদীয় দলের নেতা ছিলেন। ১৯৮৬-১৯৯৬ পর্যন্ত পরপর তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com