মহাসড়কের পাশে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: সড়কমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি বলেছেন, মহাসড়কের পাশে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। নির্মাণাধীন সড়কে পড়ে থাকা যন্ত্রপাতি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি থাকবে। তবে জনগণের অসচেতনতা এবং থ্রি-হুইলারের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল বড় চ্যালেঞ্জ।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে রাজবাড়ী পৌর মিলনায়তনে দৌলতদিয়া বাস ডুবির ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও আহতদের মাঝে চেক বিতরণ এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ভয়াবহ বাস ডুবির ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, এটি আমাদের সামগ্রিক ব্যর্থতা এবং জাতীয় কষ্ট। সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা আমরা এখনো নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। তবে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।

রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ রাজবাড়ী সার্কেলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়াসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।

শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রতিবছর ঈদযাত্রা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। মাত্র আড়াই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছেড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করেন। এ বিপুলসংখ্যক যাত্রীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার সড়ক, নৌ ও রেলপথে সমন্বিত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, গত ঈদে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দুটি দুর্ঘটনা জাতিকে ব্যথিত করেছে। এবার আমরা আগের তুলনায় আরও বেশি সতর্ক। প্রায় ২০৮ টি সেনসিটিভ মোড় চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে মোবাইল কোর্ট, হাইওয়ে পুলিশ ও সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ভয়াবহ বাস ডুবির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চালকের অদক্ষতা, অসচেতনতা এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ফেরি তখনো ল্যান্ডিং করেনি। গাড়িটি দাঁড়িয়ে থাকার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ চালু করে সামনে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্রেক কাজ না করায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট পরিবহন কোম্পানিকে শোকজ করা হয়েছে এবং সন্তোষজনক জবাব না পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬০ হাজার চালককে প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও মাদকাসক্তি নির্ণয়ের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে।

অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। উন্নয়ন তখনই অর্থবহ, যখন মানুষের জীবন নিরাপদ থাকে। তিনি জানান, রাজবাড়ী জেলায় নিহত ৪৮ জন, গুরুতর আহত ২ জন ও আহত ১২ জনসহ মোট ৬২ জনের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, এটি কোনো ক্ষতিপূরণ নয়, এটি সহমর্মিতা। দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে আধুনিক ঘাট ব্যবস্থাপনা এবং দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

একই সাথে, এই অঞ্চলের সড়ক ও নৌপথের দুর্ঘটনা চিরতরে কমাতে ১৯৯৪ সাল থেকে আমাদের চলমান আন্দোলন—‘পদ্মা সেতু’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমি মন্ত্রীর মাধ্যমে সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। পিছিয়ে পড়া ও অবহেলিত এই মানুষের জীবন রক্ষায় পদ্মা সেতু নির্মিত হলে এ অঞ্চলের মানুষ আপনাকে চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» হাসপাতাল নিজেই আইসিইউতে চলে গেছে: সংসদে সানসিলা জেবরিন

» ৩০টি নোটিশ দিয়েছি, কোনটার ওপর বলব জানি না: সংসদে আমির হামজা

» রামিসা হত্যাকাণ্ডের রায়ে আলহামদুলিল্লাহ বললেন জামায়াত আমির

» ৫৫ বছরে শহীদ জিয়া গবেষণা কেন্দ্র কেন হয়নি, প্রশ্ন মঈন খানের

» গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, অভিযোগ রুমিন ফারহানার

» অনিবন্ধিত সাংবাদিকরাই সোস্যাল মিডিয়ায় মিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

» সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে: ড. হামিদুর

» দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণে নতুন উদ্যোগ, ফ্ল্যাট কেনা সহজ হবে মধ্যবিত্তদের

» মতিঝিলে দিনে-দুপুরে ব্যাংকের সামনে গুলি, ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই

» দেশীয় অস্ত্রসহ ৪জন গ্রেফতার

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

মহাসড়কের পাশে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: সড়কমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি বলেছেন, মহাসড়কের পাশে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। নির্মাণাধীন সড়কে পড়ে থাকা যন্ত্রপাতি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি থাকবে। তবে জনগণের অসচেতনতা এবং থ্রি-হুইলারের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল বড় চ্যালেঞ্জ।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে রাজবাড়ী পৌর মিলনায়তনে দৌলতদিয়া বাস ডুবির ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও আহতদের মাঝে চেক বিতরণ এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ভয়াবহ বাস ডুবির ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, এটি আমাদের সামগ্রিক ব্যর্থতা এবং জাতীয় কষ্ট। সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা আমরা এখনো নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। তবে নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।

রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ রাজবাড়ী সার্কেলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়াসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।

শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রতিবছর ঈদযাত্রা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। মাত্র আড়াই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটির বেশি মানুষ ঢাকা ছেড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করেন। এ বিপুলসংখ্যক যাত্রীর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার সড়ক, নৌ ও রেলপথে সমন্বিত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, গত ঈদে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দুটি দুর্ঘটনা জাতিকে ব্যথিত করেছে। এবার আমরা আগের তুলনায় আরও বেশি সতর্ক। প্রায় ২০৮ টি সেনসিটিভ মোড় চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে মোবাইল কোর্ট, হাইওয়ে পুলিশ ও সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ভয়াবহ বাস ডুবির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চালকের অদক্ষতা, অসচেতনতা এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ফেরি তখনো ল্যান্ডিং করেনি। গাড়িটি দাঁড়িয়ে থাকার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ চালু করে সামনে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্রেক কাজ না করায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।

তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট পরিবহন কোম্পানিকে শোকজ করা হয়েছে এবং সন্তোষজনক জবাব না পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬০ হাজার চালককে প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও মাদকাসক্তি নির্ণয়ের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে।

অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। উন্নয়ন তখনই অর্থবহ, যখন মানুষের জীবন নিরাপদ থাকে। তিনি জানান, রাজবাড়ী জেলায় নিহত ৪৮ জন, গুরুতর আহত ২ জন ও আহত ১২ জনসহ মোট ৬২ জনের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, এটি কোনো ক্ষতিপূরণ নয়, এটি সহমর্মিতা। দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে আধুনিক ঘাট ব্যবস্থাপনা এবং দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

একই সাথে, এই অঞ্চলের সড়ক ও নৌপথের দুর্ঘটনা চিরতরে কমাতে ১৯৯৪ সাল থেকে আমাদের চলমান আন্দোলন—‘পদ্মা সেতু’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমি মন্ত্রীর মাধ্যমে সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। পিছিয়ে পড়া ও অবহেলিত এই মানুষের জীবন রক্ষায় পদ্মা সেতু নির্মিত হলে এ অঞ্চলের মানুষ আপনাকে চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com