ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রথমত বৃত্তি পরীক্ষা হলো শিক্ষার্থীদের এবং পরিবারদের উৎসাহিত করবার জন্য পাঠ্যক্রমের প্রতি। এই উৎসাহিত করবার কোনো প্রসেস আমরা বাদ দিতে চাই না, মাইনাস করতে চাই না। তার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে যে পরীক্ষাটা দেবার কথা ছিল তারা কোনো কারণে দিতে পারেননি, সেটা আমরা চালু রেখেছি, আমরা পরীক্ষা দিয়েছি। মেইন পয়েন্টটা বৃত্তি পরীক্ষার হলো উৎসাহিত করা। আমরা যত বেশি দিব এবং আগামী দিনগুলোতে আমরা এই যে যত সংখ্যক শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পরীক্ষার ভিতরে আমরা আনতে পারি এটা বাড়াতে চেষ্টা করব।
শুক্রবার রাজধানীর বাদশাহ ফয়সল ইনস্টিটিউটে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃত্তির যে অ্যামাউন্ট আমরা দিচ্ছি যে ফিন্যান্সিয়াল স্টাইপেন্ড বা ইনসেনটিভটা আমরা দিচ্ছি এই ফিন্যান্সিয়াল ইনসেনটিভের সাইজ আমরা বাড়াব। আমরা চাই শিক্ষার্থীদের পরিবারদের উৎসাহিত করতে তারা যেন ক্লাসরুমে আসে, তারা যেন শিক্ষাক্রমের সাথে থাকে। এটার জন্য যা যা করণীয় আমরা সবকিছু করব, করতে চেষ্টা করব। এটার জন্য আমরা গার্ডিয়ানদের সাথেও কথা বলব। আপনারা যারা গণমাধ্যমে আমার ভাই ও বোনরা আছেন যারা স্পেশালি শিক্ষা কাভার করেন তাদের কাছ থেকেও আমরা জানতে চাই যে আমরা আপনারা বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী জানলেন, কী কী ভাবে আমরা শিক্ষার্থীদের এবং পরিবারবর্গকে উৎসাহিত করতে পারি আমাদের শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমে রাখার, নিয়ে আসার জন্য।
উপবৃত্তির প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আরও পরিষ্কার করলাম যে এই যে ফিন্যান্সিয়াল ইনসেনটিভগুলো আমরা এখানেও মডার্নাইজেশন আনব। মানে যেটা এখন বেশি সেনসিবল। এগেইন মেইন লক্ষ্য একটা সকল শিক্ষার্থীকে ক্লাসরুমে নিয়ে আসা। এটার জন্য পরিবারকে যদি ফিন্যান্সিয়াল ইনসেনটিভ দিতে হয় কীভাবে সেই ফিন্যান্সিয়াল ইনসেনটিভটা সবচেয়ে ইফেক্টিভ কার্যকরী হতে পারে সেটা নিয়ে আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু করেছি। মিডিয়ার ভাইবোনেরা স্পেশালি যারা শিক্ষা বিট কাভার করেন তাদের ফিডব্যাকও আমরা চাই। আমরা ওই জায়গাটাতে যাব। এখন পাঁচ টাকা আছে ১২৫ টাকা আছে এটা বড় প্রশ্ন না। আগামীতে কী হওয়া উচিত এইটা আপনাদের কাছ থেকে জানতে চাই, সো দ্যাট আগামী নীতিমালাগুলোতে আমরা সেভাবে বদলগুলো আনব।








