ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিসৌধে শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার প্রথম ভিত্তি।
মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে প্রথম গণহত্যা শুরু হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটেই স্বাধীনতার ঘোষণা আসে। তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান ওই গণহত্যার খবর পেয়ে চট্টগ্রামে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বিশ্বের সমর্থন কামনা করেন। একেই তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ‘প্রকৃত ইতিহাস’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজারবাগের পুলিশ সদস্যদের রক্তদানের মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা। তাদের এই আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
এর আগে, সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে তিনি নিজেও সেখানে শ্রদ্ধা জানান। পরে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাজারবাগে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দীর্ঘ কয়েক বছর পর স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ পুনরায় শুরু হওয়াকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী দেশে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত থাকবে।
ভারত থেকে ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাহিনীকে আধুনিক ও দক্ষ করতে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে কারিগরি সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।









