মেসির ছোঁয়ায় বদলে গেছে ইন্টার মায়ামি, মাঠের বাইরে বাণিজ্যেও বড় সাফল্য

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক :  আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে দলে নেওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামির চেহারাই বদলে গেছে। মাঠের পারফরম্যান্সের বাইরে বাণিজ্যিক দিক থেকেও ক্লাবটি পেয়েছে বিশাল সাফল্য।

মেসির আগমনে ক্লাবটির জনপ্রিয়তা যেমন বেড়েছে, তেমনি আর্থিক প্রবাহও হয়েছে কয়েক গুণ বেশি। তাই এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করতেও দ্বিধা করছে না মালিকপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে ক্লাবের সহ মালিক জর্জ মাসের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে,  বেতন, বোনাস এবং ইকুইটি সুবিধা মিলিয়ে মেসির পেছনে বছরে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ দাঁড়ায় আনুমানিক ৮৫৪ কোটি থেকে ৯৭৬ কোটি টাকার মধ্যে।

২০২৩ সালে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর খুব অল্প সময়েই ক্লাবটির সবচেয়ে বড় তারকায় পরিণত হন মেসি। তার জনপ্রিয়তা ও প্রভাবকে সামনে রেখে ২০২৫ সালে নতুন একটি চুক্তিতে সই করানো হয় তাকে, যার মাধ্যমে ২০২৮ মৌসুম পর্যন্ত তাকে ক্লাবটিতে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই চুক্তির কাঠামোয় ভবিষ্যতে ক্লাবটির আংশিক মালিক হওয়ার সম্ভাবনাও রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মেসির জন্য এত বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরে হোর্হে মাস বলেন, “তার জন্য বছরে ৭০–৮০ মিলিয়ন ডলার খরচ হয় ঠিকই, কিন্তু মেসি প্রতিটি পয়সারই যোগ্য।”

মেসির আগমনের পর ইন্টার মায়ামির আর্থিক চিত্রেও এসেছে বড় পরিবর্তন। ২০২২ সালে ক্লাবটির মোট আয় ছিল প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলার। অথচ কয়েক বছরের মধ্যেই সেই আয় বেড়ে গত মৌসুমে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে—যা প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি।

ক্লাবটির আয়ের বড় একটি অংশ আসে স্পনসরশিপ এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে। মোট আয়ের প্রায় ৫৫ শতাংশই আসে এই খাত থেকে। ক্লাব কর্তৃপক্ষের মতে, মেসির বিশ্বজোড়া জনপ্রিয়তা এবং তার উপস্থিতিই এই বাণিজ্যিক সাফল্যের প্রধান চালিকাশক্তি।

সব মিলিয়ে বলা যায়, মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যবসায়িক মূল্যেও মেসি এখন ইন্টার মায়ামির সবচেয়ে বড় সম্পদ। তার উপস্থিতি শুধু ক্লাবটির আয়ই বাড়ায়নি, বরং যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ফুটবল এবং মেজর লিগ সকারের বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকেও নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

সূত্র: ব্লুমবার্গ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» মেকআপ ও পারফিউম ব্যবহার করলে কি রোজার ক্ষতি হবে?

» টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল কার পকেটে যাচ্ছে কত কোটি টাকা?

» নায়িকা বুবলী এবার গায়িকা

» ৭ হাজার ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারি আটক

» জুলাইয়ের হারিয়ে যাওয়া নারী কণ্ঠস্বর খুঁজে বের করবো: নাহিদ ইসলাম

» ঈদযাত্রায় আজ মিলছে ১৮ মার্চের ট্রেনের টিকিট

» নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি গড়েন জিয়াউর রহমান, শক্তিশালী করেছেন খালেদা জিয়া

» প্রথম দেখায় নিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন প্রিয়াঙ্কা!

» নতুন করে সংঘাত নয়, দেশ রক্ষায় ঐক্যের পথই বেছে নেওয়া উচিত : মঞ্জু

» আজও মধ্যপ্রাচ্যের ২৬টি ফ্লাইট বাতিল

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

মেসির ছোঁয়ায় বদলে গেছে ইন্টার মায়ামি, মাঠের বাইরে বাণিজ্যেও বড় সাফল্য

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক :  আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে দলে নেওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামির চেহারাই বদলে গেছে। মাঠের পারফরম্যান্সের বাইরে বাণিজ্যিক দিক থেকেও ক্লাবটি পেয়েছে বিশাল সাফল্য।

মেসির আগমনে ক্লাবটির জনপ্রিয়তা যেমন বেড়েছে, তেমনি আর্থিক প্রবাহও হয়েছে কয়েক গুণ বেশি। তাই এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টারের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করতেও দ্বিধা করছে না মালিকপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে ক্লাবের সহ মালিক জর্জ মাসের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে,  বেতন, বোনাস এবং ইকুইটি সুবিধা মিলিয়ে মেসির পেছনে বছরে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ দাঁড়ায় আনুমানিক ৮৫৪ কোটি থেকে ৯৭৬ কোটি টাকার মধ্যে।

২০২৩ সালে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর খুব অল্প সময়েই ক্লাবটির সবচেয়ে বড় তারকায় পরিণত হন মেসি। তার জনপ্রিয়তা ও প্রভাবকে সামনে রেখে ২০২৫ সালে নতুন একটি চুক্তিতে সই করানো হয় তাকে, যার মাধ্যমে ২০২৮ মৌসুম পর্যন্ত তাকে ক্লাবটিতে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই চুক্তির কাঠামোয় ভবিষ্যতে ক্লাবটির আংশিক মালিক হওয়ার সম্ভাবনাও রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মেসির জন্য এত বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরে হোর্হে মাস বলেন, “তার জন্য বছরে ৭০–৮০ মিলিয়ন ডলার খরচ হয় ঠিকই, কিন্তু মেসি প্রতিটি পয়সারই যোগ্য।”

মেসির আগমনের পর ইন্টার মায়ামির আর্থিক চিত্রেও এসেছে বড় পরিবর্তন। ২০২২ সালে ক্লাবটির মোট আয় ছিল প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলার। অথচ কয়েক বছরের মধ্যেই সেই আয় বেড়ে গত মৌসুমে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে—যা প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি।

ক্লাবটির আয়ের বড় একটি অংশ আসে স্পনসরশিপ এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে। মোট আয়ের প্রায় ৫৫ শতাংশই আসে এই খাত থেকে। ক্লাব কর্তৃপক্ষের মতে, মেসির বিশ্বজোড়া জনপ্রিয়তা এবং তার উপস্থিতিই এই বাণিজ্যিক সাফল্যের প্রধান চালিকাশক্তি।

সব মিলিয়ে বলা যায়, মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যবসায়িক মূল্যেও মেসি এখন ইন্টার মায়ামির সবচেয়ে বড় সম্পদ। তার উপস্থিতি শুধু ক্লাবটির আয়ই বাড়ায়নি, বরং যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ফুটবল এবং মেজর লিগ সকারের বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকেও নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

সূত্র: ব্লুমবার্গ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com