[ঢাকা, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬] তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও কর্মসংস্থান সম্ভাবনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈশ্বিক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান বিডিটাস্কের সাথে এক কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবিডি)। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাঠামোগত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অভিজ্ঞদের পরামর্শ এবং ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জনেরও সুযোগ পাবেন।
সম্প্রতি, রাজধানীর গুলশানে ইউসিবিডি ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
ইউসিবিডির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত এবং বিডিটাস্কের পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মোহাম্মদ তারেক।
এই চুক্তির আওতায় ইউসিবিডির শিক্ষার্থীরা লাইভ আইটি প্রজেক্টে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবেন। এছাড়াও, ইউসিবিডিতে পড়াশোনা শেষে চাকরি পেতে সহায়তা পাবেন এবং বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি খাত অনুযায়ী পেশাগত প্রশিক্ষণ লাভ করবেন।
খাতসংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের নেতৃত্বে জ্ঞান-বিনিময় সেশনে অংশগ্রহণ এবং সফটওয়্যার
ডেভেলপমেন্ট নিয়ে হাতে-কলমে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ থাকবে শিক্ষার্থীদের জন্য। এসব উদ্যোগ এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা তাদের অ্যাকাডেমিক যোগ্যতার পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন করতে পারেন, যা চাকরির বাজারে তাদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করবে।
ইউসিবিডির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত বলেন, “বিডিটাস্কের মতো প্রতিষ্ঠানের সাথে আমাদের শিক্ষার্থীদের সরাসরি যুক্ত করার উদ্দেশ্য হল, আমরা তাদের শ্রেণিকক্ষ থেকে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার বাস্তব পথ তৈরি করতে চাচ্ছি। অনেক মেধাবী স্নাতক শুধুমাত্র বাস্তব অভিজ্ঞতার অভাবে প্রথম চাকরিতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হন। এই অংশীদারিত্ব প্রায়োগিক ও পুঁথিগত শিক্ষার সেই ব্যবধান দূর করবে।
নিয়োগকর্তারা একজন ডিগ্রিধারীর মধ্যে প্রমাণিত দক্ষতা খোঁজেন। তাই, আমাদের শিক্ষার্থীরা এখন বিভিন্ন প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতার সাথে কর্মক্ষেত্রের সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাবেন। তারা পেশাগত নেটওয়ার্ক নিয়ে চাকরির ইন্টারভিউতে অংশ নিতে পারবেন।”
বিডিটাস্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মোহাম্মদ তারেক নতুন এ অংশীদারিত্বের পারস্পরিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই প্রতিভা লালন করা অত্যন্ত জরুরি। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের পেশাগত জীবন গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে যুক্ত হতে পারছি এবং একইসাথে বাংলাদেশের প্রযুক্তিখাতের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ পাচ্ছি।”
এই অংশীদারিত্ব থেকে বহুমুখী সুফল প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে, শিক্ষার্থীরা যেমন বাস্তবভিত্তিক আইটি অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎমুখী ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পাবেন, তেমনি অভিভাবকেরা সন্তানদের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা নিয়ে শিক্ষায় বিনিয়োগ করতে পারবেন। পাশাপাশি, শিল্প ও শিক্ষাক্ষেত্রে এমন যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষা ও প্রযুক্তি ইকোসিস্টেমের বিকাশেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এ চুক্তি।








