সংগৃহীত ছবি
অনলাইন ডেস্ক : চলমান বিক্ষোভ নিয়ে ইরানের সঙ্গে বৈঠক আয়োজনের সম্ভাবনার পাশাপাশি কঠোর পদক্ষেপ নিয়েও বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মধ্যে সামরিক হস্তক্ষেপও রয়েছে।
গতকাল রবিবার রাতে এয়ারফোর্স ওয়ান বিমানে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে দেখছি। সামরিক বাহিনী যাচাই করছে, আমরা খুবই শক্তিশালী বিকল্প বিবেচনা করছি। এ বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের নেতৃত্ব তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। সামরিক হুমকির পর ‘আলোচনা করতে চাইছে’, একটি বৈঠকও আয়োজন করা হচ্ছে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘সম্ভবত আমাদের সভার আগে পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।’ তবে এ বিষয়ে তেহরান থেকে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে ইরানি নেতারা সামরিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কোনো আক্রমণ করলে তাদের দখলকৃত অঞ্চলের সামরিক ঘাঁটি ও জাহাজে হামলা করা হবে।’
ইরানে রিয়ালের দাম কমে যাওয়ায় ও অর্থনৈতিক দুরাবস্থার কারণে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে দ্রুতই এই প্রতিবাদ দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়।
ইরানি সরকারি মিডিয়ার তথ্যানুযায়ী, এই বিক্ষোভে অন্তত ১০৯ নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে শত শত প্রতিবাদকারীও এতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা। দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগও ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা








