ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, জামায়াতে ইসলামীর পৃষ্ঠপোষকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত করা হয়েছে। জামায়াতের সাইবার আক্রমণের কারণে সরকারি দলের অনেকেই কথা বলেন না, অনেকে কথা বলার সাহসও করেন না। এই সাইবার সন্ত্রাস রুখে দিতে হবে।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা যদি ভুয়া আইডি খুলে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন এবং পরিকল্পিতভাবে অন্যদের আক্রমণ করেন, তাহলে সেটি কোনোভাবেই ইসলামী আদর্শের রাজনীতি হতে পারে না।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। সরকারের উচিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে সাইবার অপপ্রচার ও দুর্বৃত্তায়ন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। সরকারে গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মিত্রদের যথাযথ মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব। মিত্রদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হলে তা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
নুরুল হক নুর বলেন, রাজপথের আন্দোলনে যখন তারা ছিলেন তখন অনেকেই তাদের সঙ্গে ছিলেন। বড় রাজনৈতিক সংকটের সময় যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে দাবি করে নুর বলেন, এসব অপপ্রচারে তারা বিচলিত হবেন না। দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিকে কেন্দ্র করে দেশে নতুন করে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন নুর। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে গণঅধিকার পরিষদ জনগণের পাশে থেকে ভূমিকা রাখবে।
আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁনসহ বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদ ও অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।








