প্রধানমন্ত্রী সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে ধারণ করেন: রাশেদ খাঁন

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা দাবি করে তার রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, তিনি দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে ধারণ করেন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত জন্মাষ্টমী উৎসবে রাশেদ খাঁন এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা। তিনি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে ধারণ করেন। তার নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় রয়েছে, যেখানে ধর্ম যার যার, কিন্তু নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সবার।’

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হলেও তার জীবন, দর্শন ও শিক্ষা আজও সমাজে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। শ্রীকৃষ্ণ আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন, মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার বংশপরিচয়ে নয়; বরং তার কর্মের মধ্য দিয়েই তার মর্যাদা ও অবস্থান নির্ধারিত হয়। তিনি সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাই শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ধারণ করে আমাদের একটি বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা যে ধর্মেরই অনুসারী হই না কেন, সব ধর্মের মূল শিক্ষা শান্তি, শৃঙ্খলা, মানবতা ও সম্প্রীতি। বাংলাদেশে কোনো নাগরিক যেন তার ধর্মীয় পরিচয় কিংবা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বৈষম্য বা নির্যাতনের শিকার না হন, এটি আমাদের সবার প্রত্যাশা।’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ‘অতীতে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়েছিল। আমরা চাই না, ভবিষ্যতে আর কোনো বিশ্বজিৎ এ ধরনের নৃশংস হামলার শিকার হোক। এ ধরনের সহিংসতা ও বৈষম্যের সংস্কৃতি যেন আর কখনো ফিরে না আসে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিককে যেন বৈষম্যের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল। তিনি জন্মাষ্টমীর তাৎপর্য তুলে ধরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» রাষ্ট্রপতিকে বরণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, জোরদার হচ্ছে নিরাপত্তা

» সমাজে মানবপ্রেমের অনন্য আদর্শ তুলে ধরেছেন শ্রী কৃষ্ণ: প্রধানমন্ত্রী

» অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে সবাইকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

» সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতের একক প্রার্থী হিসেবে নূরুল ইসলামের নাম ঘোষণা

» প্রধানমন্ত্রী সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে ধারণ করেন: রাশেদ খাঁন

» ক্ষমতাসীনদের গালি দেওয়া কি অপরাধ? প্রশ্ন তাসনিম জারার

» দেশ কিছুটা স্থিতিশীল, তবে শক্তিশালী ভিত্তি দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম

» জামায়াতের রাজনীতি দেশকে ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে নিতে পারে: নুর

» ধ্বংসস্তূপের বাংলাদেশকে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে নিচ্ছেন তারেক রহমান: ড. মোশাররফ

» রাজপথে হুমকি নয়, সংসদে গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন: রিজভী

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

প্রধানমন্ত্রী সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে ধারণ করেন: রাশেদ খাঁন

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা দাবি করে তার রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, তিনি দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে ধারণ করেন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত জন্মাষ্টমী উৎসবে রাশেদ খাঁন এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা। তিনি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে ধারণ করেন। তার নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় রয়েছে, যেখানে ধর্ম যার যার, কিন্তু নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সবার।’

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হলেও তার জীবন, দর্শন ও শিক্ষা আজও সমাজে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। শ্রীকৃষ্ণ আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন, মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার বংশপরিচয়ে নয়; বরং তার কর্মের মধ্য দিয়েই তার মর্যাদা ও অবস্থান নির্ধারিত হয়। তিনি সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাই শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ধারণ করে আমাদের একটি বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা যে ধর্মেরই অনুসারী হই না কেন, সব ধর্মের মূল শিক্ষা শান্তি, শৃঙ্খলা, মানবতা ও সম্প্রীতি। বাংলাদেশে কোনো নাগরিক যেন তার ধর্মীয় পরিচয় কিংবা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বৈষম্য বা নির্যাতনের শিকার না হন, এটি আমাদের সবার প্রত্যাশা।’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ‘অতীতে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়েছিল। আমরা চাই না, ভবিষ্যতে আর কোনো বিশ্বজিৎ এ ধরনের নৃশংস হামলার শিকার হোক। এ ধরনের সহিংসতা ও বৈষম্যের সংস্কৃতি যেন আর কখনো ফিরে না আসে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিককে যেন বৈষম্যের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল। তিনি জন্মাষ্টমীর তাৎপর্য তুলে ধরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com