ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ‘অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে কাজ করছে সরকার। বিগত ১৭ বছর সাংবাদিকরা নির্যাতনের শিকার হলেও এখন গণমাধ্যম অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা মিডিয়া কন্ট্রোল (নিয়ন্ত্রণ) করছি না, করবও না। তবে হলুদ বা অপসাংবাদিকতা রোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।’
শুক্রবার দুপুরে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় রফিক হিলালী ইংলিশ এক্সিলেন্স প্রোগ্রামের ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সুষ্ঠু সাংবাদিকতার জন্য প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করছি। বাকস্বাধীনতা অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে মিডিয়ার উদ্বেগ বাড়ানো থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। আমরা তাই করছি। সাংবাদিকতার মান বজায় রাখা এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি)র মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু রাখা হয়েছে।’
সাংবাদিকতার অপব্যবহার নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাকস্বাধীনতার নামে কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করা বা কারো সামাজিক জীবনকে হুমকির মুখে ফেলার মতো সংবাদ পরিবেশন করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য সাংবাদিকদের আরও আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী। সেইসঙ্গে বিচার বিভাগ এখন স্বাধীন বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এই বিচারের জন্য আপনারা আওয়াজ তুলেন। অবশ্যই আমরা বিচার করতে চাই। বিচার বিভাগ এখন স্বাধীন, আমরা বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করতে চাই না।’
ইয়াসের খান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের আমলে বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করে রেখেছিল। রায় লিখে এনে সেই রায় ফলো করার জন্য বিচার বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হতো। কিন্তু আমরা বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে রাখতে চাই। বিচার বিভাগ বিচার বিভাগের মতো চলবে।’
এ সময় ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজদ বাবু বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা, কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা চৌধুরীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।








