ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন জায়গায় ‘বন্দুক’ হাতে দুই তরুণের ঘুরে বেড়ানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দুই তরুণের দাবি অনুযায়ী ‘খেলনা বন্দুক’ দিয়ে মজা করার উদ্দেশ্য হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়টিকে ভালোভাবে নেওয়া হচ্ছে না। কেউ কেউ আবার তাদেরকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যা দেয়ার চেষ্টা করছেন।
ভিডিওর সূত্র ধরে জানা যায়, এই ভিডিওর নির্মাতা নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার বাসিন্দা লিমন তোহা। তাঁর সঙ্গে ‘বন্দুক’ হাতে থাকা আরেক তরুণের নাম ইয়াসিন। তারা দুইজন মিলে ভিডিও তৈরি করে থাকেন। সেটা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে থাকেন।
এদিকে ভিডিওতে দেখা যায়, কালো রঙের লম্বা কুর্তা পায়জামা ও মাথায় টুপি পরা দুই তরুণ। তাঁদের হাতে কালো রঙের বড় দুটি বন্দুক। কখনো পার্কের ভেতর, কখনো ব্যস্ত সড়কে, কখনো নদীর ঘাটে আবার কখনো দোকানের সামনে বন্দুক হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাঁরা। আর এসময় যাকে পাচ্ছেন তার দিকেই বন্দুক তাক করছেন। এতে হঠাৎ করে ভয় পেয়ে যাচ্ছেন পথচারীরা। আবার কেউ পরক্ষণেই বুঝতে পেরে অবাক হচ্ছেন। সেই সাথে বন্দুক নিজ হাতে দিয়ে দেখছেন।
.jpg)
এ বিষয়ে লিমন তোহা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রেন্ড দেখে এই ভিডিও করেছি। আমাদের উদ্দেশ্য মজা করা। বন্দুক দেখে মানুষজন কি প্রতিক্রিয়া দেখায় সেটা ভিডিও ধারণ করা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা। পাকিস্তানি আদলে ভিডিও করলে সে ভিডিওতে বেশি সাড়া পাওয়া যায়। সে জন্যই মূলত এসব ভিডিও বানানো।
তিনি আরও বলেন, ভিডিও ধারণের সময় পুলিশও বিষয়টি দেখেছে। বন্দুক দেখে শুরুতে কেউ কেউ ভয় পেয়েছেন। পরে খেলনা বন্দুক বুঝতে পেরে তাঁরা মজাও করেছেন। পুলিশও বিষয়টি দেখেছে। তারা প্রথমে কিছুটা অবাক হলেও পরে বুঝতে পেরেছে এটি ‘খেলনা বন্দুক’।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান বলেন, এ ধরনের কোনো ভিডিও সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। শহরের বিভিন্ন জায়গায় ডিউটিরত পুলিশ সদস্যরাও এই বিষয়টি আমাদের অবগত করেনি। আমরা বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।
সূএ : বাংলাদেশ প্রতিদিন








