পানি বাড়ছে তিস্তায়, খুলে দেওয়া হয়েছে ৪৪ জলকপাট

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : ভারি বৃষ্টি ও ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির চাপ সামলাতে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের তিস্তা নদীর পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সকাল ৯টায় দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১০ মিটার। এটি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। একই দিন সকাল ৬টায়ও পানির উচ্চতা একই পর্যায়ে ছিল।

পাউবো ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলছেন, তিস্তা নদীর পানি বেড়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরো বাড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ জুলাই রাত ১০টায় তিস্তা নদীর পানির সমতল বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে, অর্থাৎ ৫২ দশমিক ২৫ মিটারে পৌঁছেছিল।

টানা প্রায় ১৫ ঘণ্টা পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছচাপানী ও গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

সেই বন্যার পানি পুরোপুরি না নামতেই আবারও তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। উজান থেকে নতুন করে পানি বাড়তে শুরু করায় নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে ওই সব এলাকার জমি ও বীজতলা এখনও পানিতে তলিয়ে থাকায় আমনের চারা রোপনে জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না কৃষকরা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» দেশের আট অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

» ৪২ কর্মদিবসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

» জামায়াত এমপির ‌ভিডিও ভাইরাল, যা বললেন তাহেরী

» জামায়াতের যুদ্ধাপরাধের বিষয়টি বহুল আলোচিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত : চরমোনাই পীর

» অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এডিপি বড় ভূমিকা রাখে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

» সাইবার স্পেসে বৈষম্যহীন ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়তে ৩ দফা প্রস্তাব আইসিটি মন্ত্রীর

» ৬ শিশুর প্রাণহানি, হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৮০০ ছাড়াল

» আগুন ঝরছে মধ্যপ্রাচ্যে, আরও মারমুখি ইরান

» ক্যারিয়ার সেরা র‍্যাঙ্কিংয়ে তানজিদ তামিম

» বন্যাদুর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের কিস্তি ৩ মাস স্থগিত

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

পানি বাড়ছে তিস্তায়, খুলে দেওয়া হয়েছে ৪৪ জলকপাট

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : ভারি বৃষ্টি ও ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির চাপ সামলাতে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের তিস্তা নদীর পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সকাল ৯টায় দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১০ মিটার। এটি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। একই দিন সকাল ৬টায়ও পানির উচ্চতা একই পর্যায়ে ছিল।

পাউবো ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলছেন, তিস্তা নদীর পানি বেড়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরো বাড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ জুলাই রাত ১০টায় তিস্তা নদীর পানির সমতল বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে, অর্থাৎ ৫২ দশমিক ২৫ মিটারে পৌঁছেছিল।

টানা প্রায় ১৫ ঘণ্টা পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছচাপানী ও গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

সেই বন্যার পানি পুরোপুরি না নামতেই আবারও তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। উজান থেকে নতুন করে পানি বাড়তে শুরু করায় নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে ওই সব এলাকার জমি ও বীজতলা এখনও পানিতে তলিয়ে থাকায় আমনের চারা রোপনে জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না কৃষকরা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com