ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : চলতি মাসের ১৮ তারিখে বাংলাদেশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। পরদিন ১৯শে ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম রোজা শুরু হয়।
আরবি মাস চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। এবছর যদি মার্চ মাসের ২০ তারিখ হিজরি শাবান মাসের, অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা যায় তাহলে ২১শে মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল ফিতর। আর যদি রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে আরো একদিন পর অর্থাৎ ২২শে মার্চ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে।
এবছর বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি মোট পাঁচদিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
২১শে মার্চ ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ হিসাব করে সরকারিভাবে ১৯শে মার্চ বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার ২৩শে মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
২৭শে রমজান শবে কদরের দিন সব সময় সরকারি ছুটি থাকে। এবছর ১৭ই মার্চ মঙ্গলবার শবে কদরের বন্ধ আগে থেকেই নির্ধারিত রয়েছে।
পরদিন ১৮ই মার্চ বুধবার সাধারণ কর্মদিবস। ১৯শে মার্চ ২৯শে রোজা থেকেই শুরু হচ্ছে পাঁচ দিনের ঈদের সরকারি ছুটি। এই ছুটি শেষ হবে ২৩শে মার্চ সোমবার।
এর পর ২৪ ও ২৫শে মার্চ দুইদিন অফিস আদালত খোলা থাকবে। তবে ২৬শে মার্চ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের ছুটি রয়েছে। পরের দুইদিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন।
সেই হিসাবে সরকারি চাকরিজীবীরা ২৪ ও ২৫শে মার্চ দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ১৯শে মার্চ থেকে ২৮শে মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ পেতে পারেন। আবার ১৮ই মার্চ একদিনের বাড়তি ছুটি নিলে শবে কদর থেকেই এই ছুটি উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে সরকারি চাকরিজীবীদের।
সরকার ঘোষিত ছুটিতে বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানই বন্ধ থাকে, তবে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষই মূলত ছুটি নির্ধারণ করে থাকে। সূত্র: বিবিসি বাংলা








