ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : আগামী জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত ও সাংবাদিক সুরক্ষায় বেশ কয়েকটি সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনঃনিরীক্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে বিশেষ সেল গঠন এবং ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের ইশতেহার ঘোষণা করেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, বিএনপি নির্ভীক ও পক্ষপাতহীন সাংবাদিকতাকে সম্মান করে। সাংবাদিকদের কাজের সুরক্ষা ও স্বীকৃতি প্রদানে দলটি বদ্ধপরিকর। বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনাকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্র সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে।
গণমাধ্যম, গণমাধ্যমকর্মী এবং গণমাধ্যম অফিসের ওপর যেকোনো ধরনের আক্রমণ ও আগ্রাসন কঠোরভাবে প্রতিহত করার ঘোষণা আছে এতে।
আইনি জটিলতা ও হয়রানি বন্ধে বিতর্কিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ পুনঃনিরীক্ষণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। এছাড়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে রুজুকৃত সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং নির্যাতন রোধে একটি ‘বিশেষ সেল’ গঠন করা হবে।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক ‘মিডিয়া রেগুলেটরি কাঠামো’ গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে গুজব, ভুয়া খবর, ঘৃণামূলক বক্তব্য ও অপপ্রচার রোধ করা হবে। শিশু, নারী ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমে নৈতিকতা বজায় রাখতে নাগরিকদের অনলাইনে অভিযোগ দাখিলের সুযোগ এবং ৩০ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তির বিধান রাখা হবে।
সাংবাদিকদের ভবিষ্যৎ জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ‘জাতীয় সাংবাদিক অবসর কল্যাণ বোর্ড’ গঠনের ঘোষণা থাকছে ইশতেহারে। এর মাধ্যমে নানামুখী কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
এছাড়া সংবাদপত্রে সরকারি বিজ্ঞাপন বরাদ্দে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পক্ষপাতের অবসান ঘটানোর সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করেছে বিএনপি।








