লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি ॥ জামালপুরের ইসলামপুরে মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, চরাঞ্চলের উর্বর মাটি এবং রোগবালাই কম থাকায় উৎপাদন ভালো হওয়ায় ন্যায্য মূল্য পেয়ে খুশি কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে ভ্রাম্যমাণ মরিচের হাট। যেখানে প্রতিদিনই চলছে জমজমাট বেচাকেনা।
উপজেলার গাইবান্ধা,গোয়ালের চর, চরপুটিমারি, গোয়ালিনী, পলবান্ধা, চিনাডুলী,সাপধরী,বেলগাছা ইউনিয়ন ও আশপাশের চরাঞ্চলে ব্যাপক হারে মরিচের আবাদ হয়েছে। ক্ষেতজুড়ে দোখা গেছে লাল ও সবুজ মরিচের সমারোহ। ভোর থেকেই কৃষকরা ক্ষেত থেকে মরিচ সংগ্রহ করে নৌকা, ভ্যান ও মোটর সাইকেলে যোগে নিয়ে আসছেন হাটে।
স্থানীয়রা জানান- উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সপ্তাহের কয়েকদিন অস্থায়ী বা ভ্রাম্যমাণ হাট বসছে। এসব হাটে স্থানীয় পাইকাররা সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে মরিচ ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করছেন। কৃষকরা জানান, চলতি মৌসুমে প্রতি কেজি মরিচের দাম মান ভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। উৎপাদন খরচ তুলনামূলক কম হওয়ায় লাভের আশা রয়েছে।
গাইবান্ধা ইউনিয়নের মরিচ চাষি মোমারফ হোসেন বলেন-‘এবার ভালো ফলন অনেক ভালই হয়েছে। ক্ষেত থেকে হাটে সহজেই বিক্রি করা যাচ্ছে। দামও মোটামুটি ভালো। যমুনার দূর্গম চরাঞ্চলের কৃষক আবু তালেব বলেন-‘আগে বাজারে নিতে অনেক ভোগান্তি হতো। এখন ভ্রাম্যমাণ হাট হওয়ায় বিক্রি করতে পারছি, এতে সময় ও খরচ দুটোই কমছে।
ইসলামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো ফয়সাল আহমেদ জানান- ‘চলতি মৌসুমে উপজেলায় ২ হাজার ৮৩০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। ফলন আরও বাড়াতে উন্নত জাত ও আধুনিক চাষ পদ্ধতির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।








