[ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, সোমবার] দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আরও দ্রুত ও সহজে পৌঁছে দিতে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নগদের সঙ্গে চুক্তি করেছে শাহ্ধসঢ়;জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।
রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ব্যাংকটির করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে গতকাল রোববার এসংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তিতে শাহ্ধসঢ়;জালাল ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এবং নগদের পক্ষে প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ।
চুক্তির আওতায় বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স শাহ্ধসঢ়;জালাল ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে নগদ সরাসরি সুবিধাভোগীদের মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে দেবে। এতে প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে পারবেন। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ যেকোনো স্থান থেকে উপকারভোগীরা ২৪ ঘণ্টা এই অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শাহ্ধসঢ়;জালাল ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এম. সাইফুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও মো. জাফর সাদেক এফসিএ, সিটিও এবং আইটি বিভাগের প্রধান খন্দকার বেদৌরা মাহবুব এবং ফরেন রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন অংশ নেন।
নগদ-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সহযোগী প্রশাসক আনোয়ার উল্লাহ, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূঁইয়া, রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশার, রেমিট্যান্স বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার শাহ ইমরান, ম্যানেজার ইফরাত জাহান এবং রেমিট্যান্স স্পেশালিস্ট মো. আফসান জনি তাহরিম।
অনুষ্ঠানে শাহ্ধসঢ়;জালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “ব্যাংকটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত অংশীদার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে থাকে। নগদের সঙ্গে এই চুক্তির মাধ্যমে প্রবাসী ও তাঁদের পরিবার দ্রুত, সহজ ও শরিয়াহ্ধসঢ়;সম্মত রেমিট্যান্স সেবা পাবেন।”
নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, “এই চুক্তির ফলে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ সরাসরি নগদ ওয়ালেটে পৌঁছাবে। এতে উপকারভোগীরা সারাদেশে নগদের দুই লক্ষাধিক উদ্যোক্তা পয়েন্ট থেকে সহজেই টাকা তুলতে পারবেন। এই উদ্যোগ দেশের রেমিট্যান্স ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করবে।”








