চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন আসছে: আইজিপি

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : প্রভাবশালী চাঁদাবাজদের ভয়ে সাধারণ মানুষ থানায় অভিযোগ করতে চান না বা সাক্ষ্য দিতে ভয় পান। এই বাধা দূর করতে এবং চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন আসতে যাচ্ছে। এই আইন পাস হলে ভুক্তভোগীর অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ নিজে বাদী হয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন করেছেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির।

আজ খুলনা পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সমাজে যারা চাঁদাবাজি করে তারা সাধারণত প্রভাবশালী হয়ে থাকে। রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ক্ষমতার দাপটে তারা এসব অপরাধ করে। ফলে সাধারণ মানুষ বা ভুক্তভোগীরা ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে চান না, এমনকি সাক্ষ্যও দিতে চান না। তবে এই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি নতুন আইনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই আইনটি পাস হলে পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে। যেকোনো ধরনের ডিজিটাল এভিডেন্স (প্রমাণ) পেলেই তার বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আপনারা দেখবেন নতুন আইন হচ্ছে এবং এসব অপরাধ নির্মূল হবে।

পুলিশের কাজ করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আইজিপি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে পুলিশ যদি বল প্রয়োগ করে, তবে বলা হয় ‘পুলিশ ফ্যাসিস্ট’। আর যদি বল প্রয়োগ না করে, তখন বলা হয় ‘পুলিশ দুর্বল’। আমরা এর কোনোটিই দেখতে চাই না। আপনারা এবং আমরা সবাই মিলে একটি কার্যকরী পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে চাই। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার জন্যই আমাদের নতুন প্রজন্ম কাজ করছে।

তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে মাদককে সমাজের একটি স্বীকৃত বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি এবং মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। সমাজে যেন কোনো মাদক, কিশোর গ্যাং বা চাঁদাবাজি না থাকে, তা আমরা সবাই মিলে কঠোরভাবে নির্মূল করবো। এছাড়া কমিউনিটি পুলিশিং ঢেলে সাজানো হচ্ছে।

কমিউনিটি পুলিশিংকে আরও কার্যকর করার বিষয়ে আইজিপি বলেন, আগে কমিউনিটি পুলিশিং কেবল ‘বুক প্র্যাকটিস’ বা খাতা-কলমে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বর্তমান সরকার এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নিয়েছে। আইনের কাঠামোর ভেতরে পুলিশের একটি শাখা হিসেবে কমিউনিটি পুলিশিং এখন থেকে কার্যকরভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন আসছে: আইজিপি

» আগামীকাল লক্ষ্মীপূজা

» গাজীপুরের সাড়ে তিন ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আগুন

» মেট্রোরেলে যাত্রীদের নিরাপত্তায় বসছে মেটাল ডিটেক্টর ও লাগেজ স্ক্যানার

» কারিনার প্রশংসা পেয়ে নজর লাগার ভয় পেলেন সাইফ!

» সরকারকে বিব্রত করতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন গোলাম পরওয়ার : ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

» দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবদল নেতা আহত

» দুর্নীতি প্রতিরোধে লটারি পদ্ধতি হতে পারে কার্যকর উদ্যোগ

» সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন কমিটির নবম বৈঠক

» পদ্মা নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান, ৫ জেলে আটক

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন আসছে: আইজিপি

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : প্রভাবশালী চাঁদাবাজদের ভয়ে সাধারণ মানুষ থানায় অভিযোগ করতে চান না বা সাক্ষ্য দিতে ভয় পান। এই বাধা দূর করতে এবং চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন আসতে যাচ্ছে। এই আইন পাস হলে ভুক্তভোগীর অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ নিজে বাদী হয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন করেছেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির।

আজ খুলনা পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সমাজে যারা চাঁদাবাজি করে তারা সাধারণত প্রভাবশালী হয়ে থাকে। রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ক্ষমতার দাপটে তারা এসব অপরাধ করে। ফলে সাধারণ মানুষ বা ভুক্তভোগীরা ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে চান না, এমনকি সাক্ষ্যও দিতে চান না। তবে এই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি নতুন আইনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই আইনটি পাস হলে পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে। যেকোনো ধরনের ডিজিটাল এভিডেন্স (প্রমাণ) পেলেই তার বিরুদ্ধে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আপনারা দেখবেন নতুন আইন হচ্ছে এবং এসব অপরাধ নির্মূল হবে।

পুলিশের কাজ করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আইজিপি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে পুলিশ যদি বল প্রয়োগ করে, তবে বলা হয় ‘পুলিশ ফ্যাসিস্ট’। আর যদি বল প্রয়োগ না করে, তখন বলা হয় ‘পুলিশ দুর্বল’। আমরা এর কোনোটিই দেখতে চাই না। আপনারা এবং আমরা সবাই মিলে একটি কার্যকরী পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে চাই। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার জন্যই আমাদের নতুন প্রজন্ম কাজ করছে।

তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে মাদককে সমাজের একটি স্বীকৃত বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি এবং মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। সমাজে যেন কোনো মাদক, কিশোর গ্যাং বা চাঁদাবাজি না থাকে, তা আমরা সবাই মিলে কঠোরভাবে নির্মূল করবো। এছাড়া কমিউনিটি পুলিশিং ঢেলে সাজানো হচ্ছে।

কমিউনিটি পুলিশিংকে আরও কার্যকর করার বিষয়ে আইজিপি বলেন, আগে কমিউনিটি পুলিশিং কেবল ‘বুক প্র্যাকটিস’ বা খাতা-কলমে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বর্তমান সরকার এই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নিয়েছে। আইনের কাঠামোর ভেতরে পুলিশের একটি শাখা হিসেবে কমিউনিটি পুলিশিং এখন থেকে কার্যকরভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: dhakacrimenewsbd@gmail.com

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com