ছবি সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাসে নিহত অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর তাকে দাফন করা হয়। জানাজার আগে বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।
এ সময় কান্নজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, অপ্রতিম আপনাদের স্নেহ ভালোবাসায় বেড়ে উঠেছে। সে যদি কারো মনে কষ্ট দিয়ে তাকে ক্ষমা করে দেবেন।
কথা বলতে গিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তার কান্না দেখে মুসলিল্লাও চোখ মুছতে থাকেন। পরে কোটবাড়ির গন্ধমতীতে বেলা ১১টায় তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
অপ্রতিমকে শেষবারের মতো এক নজর দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় হাজারো মানুষ ভিড় করেন। এ সময় ছোট্ট শিশুকে হত্যার ঘটনায় অনেককে অশ্রু সজল হতে দেখা গেছে। তারা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।
এর আগে, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি। সন্ধ্যার পর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে তারা তার বাবা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২২ ঘণ্টা পর তার মরদেহের সন্ধান মেলে। পুলিশের তথ্যমতে তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।








