লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি ॥ জামালপুরের ইসলামপুরকে আগামী প্রজন্মের সেরা বাসস্থান গড়তে, প্রতিটি অঞ্চলে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু এমপি। উন্নয়নের রুপকার খ্যাত সুলতান মাহমুদ বাবু’র নিরলস পরিশ্রম ও চলমান উন্নয়নে ঈর্ষানিত্ব হয়ে একটি মহল গুজব ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশে বহুল প্রত্যাশার, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত। দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, প্রান্তিক কৃষক এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেটিকে ধারণ করেই এগিয়ে চলেছে জনগণের এই সরকার।
বর্তমান সরকারের স্বল্প সময়ে কৃষকদের ক্ষমতায়নে কৃষক কার্ড, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, প্রবাসীদের অধিকার ও সহায়তায় প্রবাসী কার্ড, এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, যাজক ও বৌদ্ধ অধ্যক্ষদের জন্য সম্মানী ও খাল খনন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে,যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল। ইতিমধ্য, আমি আমার উপজেলায় জেলায় সর্ব প্রথম খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন,কৃষক কার্ড,ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করছি। নদী ভাঙ্গনে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিয়ে ভাঙ্গন রোধ সহ গর্ভবতীদের সার্বিক সুবিধার কথা চিন্তা করে মা ও শিশু কেন্দ্রটি চালু করেছি। এছাড়াও গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন, যমুনা নদীর উপর তিনটি সেতু,স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ থেকে ১শত শয্যায় উর্ত্তিন্ন,ব্রহ্মপুত্র নদের উপর সেতু বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। ইসলামপুরবাসীর কল্যাণে আমি আমরণ কাজ করে যেতে চাই।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুম, খুন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে। মানুষের বাক্স্বাধীনতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তাই জনগন তাদের ধিক্কার জানিয়েছে। বিএনপি কাজে বিশ^াসী, তিনি মাদক, সন্ত্রাস ,দূর্নীতি ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলে শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
অভিযোগ উঠেছে,একটি মহল উন্নয়নকে বাঁধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন স্থানে নানান কিছু বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। মানুষের মৌলিক চাহিদা হরণ করতে উঠে পরে লেগেছে। এতে দলের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি সরকারের উপরও এর প্রভাব পরছে। যারা বিগত দিনে দলকে দ্বিখন্ডিত করতে বিভিন্ন গ্রুপিং সৃষ্টি করেছিল, বিগত নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে হারিয়ে জামায়াতকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিল তারা আজও থেমে নেই।
দলীয় নেতৃবৃন্দরা বলেন, সুলতান মাহমুদ বাবু ৪৫ বছরের রাজনীতিতে তিনবারের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ইসলামপুরবাসী তাকে উন্নয়নের রুপকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন ২৫ বছর আগেই। তিনি ২০০১ সালে এমপি নির্বাচিত হয়ে ইসলামপুরের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত করেছেন। যার সুফল পূর্বাঞ্চল এবং পশ্চিম অঞ্চলের মানুষ আজো ভোগ করছেন। তিনি বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র,যমুনা বেস্টিত ইসলামপুরকে উন্নত ইসলামপুর হিসেবে রূপান্তিরত করতে দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করছেন। প্রতিদিন বিভিন্ন দপ্তরের দরজায় পদাচারণ তার নিত্যদিনের কাজ।
এই পরিশ্রম এবং উন্নয়নে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে গিয়ে বিভ্রান্ত ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। অথচ বিগত দিনে শুধু দলে নয় পূর্ব পশ্চিম কোথাও তাদের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। জামাতকে ৩৬ হাজার ভোটে হারিয়ে তিনি তৃতীয় বারের মত এমপি হয়েছেন। তার স্বপ্ন বাকী জীবন ইসলামপুর বাসীর ভাগ্যন্নোয়ন করা। নেতাকর্মীরা আগামী দিনে তারক রহমানের উন্নয়নকে বেগবান করতে বাঁধাগ্রস্ত ও গুজব সৃষ্টিকারীদের প্রতিহত করার আহবান জানান।








