বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে বৈশ্বিক পারমাণবিক জ্বালানি ক্লাবে বাংলাদেশ : তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১-এর ভৌত স্টার্ট-আপের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে বৈশ্বিক পারমাণবিক জ্বালানি ক্লাবে প্রবেশ করেছে।

বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত প্রথমবারের মতো Atomic Technologies Licensed for Applications at Sea (ATLAS) Ministerial Launch Event 2026-এ বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং এটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির দিকে দেশের ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রার প্রতীক। তবে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার এবং বিশেষ করে উদ্ভাবনী রিঅ্যাক্টর প্রযুক্তি কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতার প্রতিও বাংলাদেশ সম্পূর্ণ সচেতন।

তিনি আরও বলেন, সমুদ্রভিত্তিক প্রয়োগের জন্য উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর (SMR) এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিরাপদ ও সময়োপযোগীভাবে ব্যবহারের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। পারমাণবিক শক্তি, বিশেষ করে সামুদ্রিক ক্ষেত্রে উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তির উদীয়মান প্রয়োগ নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে কার্বন নিঃসরণ কমানোর বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় পারমাণবিক শক্তির ভূমিকা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। উন্নত ও স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর সমাধান হতে পারে। এসব প্রযুক্তি নির্ভরযোগ্য ও কম-কার্বন বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাস, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, প্যারিস চুক্তির আওতায় প্রথম Global Stocktake-এর ফলাফলে পারমাণবিক শক্তির অন্তর্ভুক্তি এবং ২০৫০ সালের মধ্যে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার তিন গুণ করার ঘোষণাকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।

বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশও ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। ঘনবসতিপূর্ণ এবং সীমিত দেশীয় জ্বালানি সম্পদের দেশ হিসেবে জনগণের উন্নত ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে জ্বালানি ব্যবস্থার বহুমুখীকরণের ওপর বাংলাদেশ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, উন্নত স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর, যার মধ্যে ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও রয়েছে, দ্রুত ও নিরাপদভাবে ব্যবহারের জন্য আগামী দিনগুলোতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, IAEA-এর ATLAS উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন অংশীজনকে একত্রিত করে সমুদ্রে পারমাণবিক প্রযুক্তির প্রয়োগসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো মোকাবিলা এবং পারমাণবিক শক্তির সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মন্ত্রী বলেন, ATLAS উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে আগ্রহী। একইসঙ্গে পারমাণবিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সেফগার্ডের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে বেসামরিক পারমাণবিক সামুদ্রিক শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্ত্রী মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, ওয়াশিংটন ডিসিতে ২৫-২৭ আগস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর “Atomic Technologies Licensed for Applications at Sea (ATLAS)”-এর উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বেসামরিক জাহাজ ও সমুদ্রভিত্তিক জ্বালানি ব্যবস্থায় Small Modular Reactors (SMRs) সহ পারমাণবিক প্রযুক্তির নিরাপদ, সুরক্ষিত ও শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য আন্তর্জাতিক কাঠামো ও সহযোগিতা গড়ে তোলা।

অনুষ্ঠানে IAEA-এর মহাপরিচালক Rafael Mariano Grossi, যুক্তরাষ্ট্রের Secretary of Energy Chris Wright, বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধি, পারমাণবিক ও সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাহাজ ও পারমাণবিক প্রযুক্তি শিল্পের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি এবং বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন।

প্যানেল আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, কেনিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ব্রাজিল, কোরিয়া, চীন ও রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সরকারি কর্মকর্তা, গবেষক ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ওয়াদাগুলো একটি একটি পূরণ করছেন: মঈন খান

» বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে বৈশ্বিক পারমাণবিক জ্বালানি ক্লাবে বাংলাদেশ : তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

» বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

» নবীজির আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

» নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণেই গড়ে উঠবে আদর্শ নেতৃত্ব: ছাত্র জমিয়ত সভাপতি

» বাংলাদেশ একদিন জামায়াতের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে: হামিদুর রহমান

» সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের

» দেশে ফেরা বাদ দিন, শেখ হাসিনার কবরও বাংলাদেশে হবে না: সারজিস

» অসহায় পরিবারের হাতে আগে ফ্যামিলি কার্ড দিতে হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

» হাতীবান্ধায় ভারতীয় বিএসএফ ফেলে যাওয়া শর্টগান ও ওয়াকিটকি ফেরত দিয়েছে বিজিবি

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে বৈশ্বিক পারমাণবিক জ্বালানি ক্লাবে বাংলাদেশ : তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১-এর ভৌত স্টার্ট-আপের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে বৈশ্বিক পারমাণবিক জ্বালানি ক্লাবে প্রবেশ করেছে।

বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত প্রথমবারের মতো Atomic Technologies Licensed for Applications at Sea (ATLAS) Ministerial Launch Event 2026-এ বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং এটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির দিকে দেশের ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রার প্রতীক। তবে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার এবং বিশেষ করে উদ্ভাবনী রিঅ্যাক্টর প্রযুক্তি কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতার প্রতিও বাংলাদেশ সম্পূর্ণ সচেতন।

তিনি আরও বলেন, সমুদ্রভিত্তিক প্রয়োগের জন্য উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর (SMR) এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিরাপদ ও সময়োপযোগীভাবে ব্যবহারের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। পারমাণবিক শক্তি, বিশেষ করে সামুদ্রিক ক্ষেত্রে উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তির উদীয়মান প্রয়োগ নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে কার্বন নিঃসরণ কমানোর বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় পারমাণবিক শক্তির ভূমিকা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। উন্নত ও স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর জ্বালানি নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর সমাধান হতে পারে। এসব প্রযুক্তি নির্ভরযোগ্য ও কম-কার্বন বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাস, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, প্যারিস চুক্তির আওতায় প্রথম Global Stocktake-এর ফলাফলে পারমাণবিক শক্তির অন্তর্ভুক্তি এবং ২০৫০ সালের মধ্যে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার তিন গুণ করার ঘোষণাকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।

বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশও ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। ঘনবসতিপূর্ণ এবং সীমিত দেশীয় জ্বালানি সম্পদের দেশ হিসেবে জনগণের উন্নত ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে জ্বালানি ব্যবস্থার বহুমুখীকরণের ওপর বাংলাদেশ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, উন্নত স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর, যার মধ্যে ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও রয়েছে, দ্রুত ও নিরাপদভাবে ব্যবহারের জন্য আগামী দিনগুলোতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, IAEA-এর ATLAS উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন অংশীজনকে একত্রিত করে সমুদ্রে পারমাণবিক প্রযুক্তির প্রয়োগসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো মোকাবিলা এবং পারমাণবিক শক্তির সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মন্ত্রী বলেন, ATLAS উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে আগ্রহী। একইসঙ্গে পারমাণবিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সেফগার্ডের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে বেসামরিক পারমাণবিক সামুদ্রিক শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্ত্রী মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, ওয়াশিংটন ডিসিতে ২৫-২৭ আগস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর “Atomic Technologies Licensed for Applications at Sea (ATLAS)”-এর উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বেসামরিক জাহাজ ও সমুদ্রভিত্তিক জ্বালানি ব্যবস্থায় Small Modular Reactors (SMRs) সহ পারমাণবিক প্রযুক্তির নিরাপদ, সুরক্ষিত ও শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য আন্তর্জাতিক কাঠামো ও সহযোগিতা গড়ে তোলা।

অনুষ্ঠানে IAEA-এর মহাপরিচালক Rafael Mariano Grossi, যুক্তরাষ্ট্রের Secretary of Energy Chris Wright, বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধি, পারমাণবিক ও সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাহাজ ও পারমাণবিক প্রযুক্তি শিল্পের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি এবং বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন।

প্যানেল আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, কেনিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ব্রাজিল, কোরিয়া, চীন ও রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সরকারি কর্মকর্তা, গবেষক ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com